দিনাজপুরের আফতাব পরিবারে তিন জনপ্রতিনিধি,জেলা চেয়ারম্যান,এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান

এন,এম,সজীব স্টাফ রিপোর্টার:
দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মোস্তাফিজুর রহমান ফিজু। তিনি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামীলীগ মনোনীত এমপি। তার পরিবারেই একে একে ফুটেছে উঠেছে তিন তিনটি জনতার জনসেবক।

মরহুম এমপি মোস্তাফিজুর রহমানের বড়ছেলে শিবলী সাদিক বর্তমানে ১১দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য। টগবগে এই যুবক সাংসদের সামাজিক কার্যক্রম তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে দেশের অধিকাংশ বিভাগ ও জেলায়। ২০১৪ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর টানা তৃতীয় মেয়াদে ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনেও নিজের জনপ্রিয়তার প্রমান দিয়েছেন শিবলী সাদিক। তিনি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি।

এমপি শিবলী সাদিকের বড়আব্বা এবং মরহুম এমপি ফিজুর বড়ভাই দেলওয়ার হোসেন গত ২০২২ সালে দিনাজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরআগে তিনি ছিলেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। দেলওয়ার হোসেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি।

সর্বশেষ বুধবার (৫ জুন) চতুর্থ ধাপে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তাজওয়ার মোহাম্মাদ ফাহিম (নাইন্টি)। নবনির্বাচিত এই যুবক চেয়ারম্যান মরহুম সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজুর ছোট ছেলে এবং বর্তমান সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের ছোট ভাই। তিনি নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ নিয়ে একই পরিবার থেকে তিনজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেন। এই তিন জনপ্রতিনিধির মালিকানায় রয়েছে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর বিনোদন কেন্দ্র “স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট”।

ঘোড়াঘাট পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আকতার বলেন, সারা দেশে এমপি অনেক আছে। তবে আমাদের আসনের এমপি জনপ্রতিনিধির বাহিরে একজন মানবিক মানুষ। তার এবং তার পরিবারের অনেক ত্যাগ আছে এই আসনে। এসবের কারণেই এক পরিবার থেকে পরপর ৩ জন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের পরিবারের প্রতি সাধারণ মানুষের ভালেবাসার বহিঃপ্রকাশ শুধু নয় বরং দিনাজপুরে নজিরবিহীন দৃষ্টিনন্দন।

ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী শুভ রহমান চৌধুরী বলেন, নেতা হওয়া সহজ। তবে জনগণের প্রতিনিধি হতে পারাটা সৃষ্টিকর্তা আর্শিবাদ। দেশে যে প্রান্তেই যান শিবলী সাদিকের ভক্ত গুণে শেষ করা যাবে না। এটি তার এবং তার পরিবারের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের কারণে হয়েছে। অন্য এমপিদের দেখা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। সেখানে এই আসনের এমপি এবং তার পরিবারের সদস্যদের কাছে গ্রামের ভ্যানচালক ও কৃষক থেকে শুরু করে সর্বশ্রেণীর ও অবহেলীত জনগোষ্ঠীর মানুষদের দিনরাত ২৪ ঘন্টা দেখা করে পাশে বসে মনের কথা বলার সুযোগ পায় এবং যেকোনো সমস্যা সমাধানের আস্তার স্ব নির্ভর ঠিকানা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *