প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ



গত ৪ জুন, মঙ্গলবার “ আজকের তানোর” নামের একটি অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ৫ জুন বুধবার জাতীয়” দৈনিক যুগান্তর” পত্রিকায় “বাগমারায় লাল নিশানা টাঙ্গিয়ে বিল দখলের অভিযোগ” শিরোনামের সংবাদটি আমি/ আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। যাহা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। আমি/ আমরা এই প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদের তথ্য অনুযায়ী রাজশাহীর বাগমারায় প্রভাবশালী একটি মহলের বিরুদ্ধে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিলের মধ্যে লাল নিশানা টাঙ্গিয়ে জোরপূর্বক হাতিয়ার বিল দখলের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে যাহা সম্পূর্ন মিথ্যা।

বিলসংলগ্ন ৭-৮ টি গ্রামের প্রায় পাঁচশতাধিক কৃষক ৩০০ টাকা মূল্যের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে লিখিতভাবে ‘হাতিয়ার বিল মৎস্য চাষ প্রকল্পের’ আওতায় মৎস্যচাষিদের মাছ চাষের জন্য অনুমোতি দিয়েছেন,এ বক্তব্যটি সত্য নয়। বরং তারা জোর পূর্বক দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ অবধৈ ভাবে বিল দখল করে আছেন।

প্রকল্পের সভাপতি তমেজ উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক উপজেলা আ.লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিনের বক্তব্য অনুসারে, কৃষকদের সঙ্গে তাদের চুক্তিনামা অনুযায়ী প্রায় ১৫ বছর ধরে ‘হাতিয়ার বিল মৎস্য চাষ প্রকল্পের’ আওতায় তারা শান্তিপূর্ণভাবে মাছচাষ করে আসছেন ইহাও মিথ্যা ও বানোয়াট বরং এই বিলে জোর পূর্বক মাছ চাষ করাকে কেন্দ্র করে প্রায় দশ বছর যাবৎ দন্দ সংঘাত লেগেই আছে। তাদের প্রতিবাদ করায় বেশ কয়েকজন রফিক বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

গত সোমবার সকালে নরদাশ ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্নসম্পাদক মজিবর রহমান, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মতিন ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্নসম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন লাঠিয়াল বাহিনী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হাতিয়ার বিলের মধ্যে লাল নিশানা টাঙ্গিয়ে দিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিলটি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে এমন ঘটনাও সত্য নয়। বরং আমরা আমাদের ব্যাক্তি মালিকানাধীন নিজের জমিতে প্রকাশ্যে দিবালোকে মিডিয়া কর্মীদের উপস্তিতিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছি।

সংবাদে তারা আরো অভিযোগ করেন, আমাদের লাঠিয়াল বাহিনীর লোকজন জাল দিয়ে তাদের চাষকরা মাছ ধরে লুট করে নিয়ে গেছে , এমন ঘটনাও সত্য নয় বরং আমরা আমাদের নিজের জমিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছি।

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে নরদাশ ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্নসম্পাদক মজিবর রহমানের স্বীকার উক্তি মূলক বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে যাহা সত্য নয়, কেননা এ বিষয়ে আমার সাথে কোন সংবাদ কর্মী কথা বলেননি।

এ বিষয়ে থানার ওসি অরবিন্দ সরকার ঘটনার স্থল পরিদর্শন শেষে উভয় পক্ষকে ৭ দিনের জন্য বিলে কোন ধরনের কার্য ক্রম যেন না করেন এমন নিশেধাজ্ঞা দিয়েছেন বর্তমানে এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা নয় বরং শান্তি বিরাজ করছে।

আমি/আমাদের জড়িয়ে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিাদ জানাচ্ছি।সেই সাথে বস্তুুনিষ্ঠ ও সত্য সংবাদ প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদ কারী:মো: মজিবর রহমান, মো: আ: রাজ্জাক, মো: আ: মতিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *