মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোটার।
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আরডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামানের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজনদের মাঝে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।
দুদকের দুটি মামলায় অভিযুক্ত এবং দুর্নীতি ও ম্যানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কারাগারে যাওয়া এই প্রকৌশলী কীভাবে এখনো আরডিএতে স্বপদে বহাল আছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আরডিএ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে আরডিএর সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শেখ কামরুজ্জামান লিখিত পরীক্ষায় ২৪ নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হন। ন্যূনতম পাস নম্বর ছিল ৩। তারপরও তৎকালীন চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেন।
২০১ সালে নিয়োগবঞ্চিতরা দুদকে অভিযোগ করলে তদন্ত শেষে ২০১৮ সালে রাজশাহী বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। মামলায় আরডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুর রব জোয়ার্দারকেও অভিযুক্ত করা হয়।
২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ম্যানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে শেখ কামরুজ্জামান ও তার স্ত্রী নিশাত তামান্নাকে কারাগারে পাঠান আদালত। তখন তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের কয়েকজন নেতার প্রভাব খাটিয়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কামরুজ্জামানের দাবি, হাইকোর্ট থেকে দুদকের মামলায় ৬ মাসের স্টে অর্ডার ছিল। সেই সময় চাকরিতে যোগ দিয়ে দেড় বছর ধরে স্টে অর্ডার না নিয়েই তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, সহকারী প্রকৌশলী পদে থেকেও তিনি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। দুদকের মামলা, নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বিএনপি-আওয়ামী লীগ উভয় সরকারের আমলে অদৃশ্য শক্তির বলে তিনি দাপটের সঙ্গে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক সোহেল সরকার কর্তৃক
বাংলা নিউজ মিডিয়া থেকে সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp +44 7574 879654
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩