এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : দিন-রাত অধিক পরিশ্রম'র ক্লান্ততায় মাথা ঘুরানো অবস্থা দেখে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিলো নুরুল আমিন এমপি'র অবস্থা দেখে। হাত ধরে রোদ্রের তাপ বিহীন গাছের ছায়ায় নিয়ে দাড়ানোর সুযোগ করে দিলেন এ প্রতিবেদক। সাথে থাকা অন্যান্য নেতা কর্মীদের এমপি'র সেই অবস্থা বুঝে উঠার ও মনে হয় সুযোগ হয়নি!
প্রাসঙ্গিকথা: উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি'র এমপি নুরুল আমিন'র ধারে কাছে এবং পিছে পিছে যে সব নেতা নামধারীরা থাকেন তাদের উদ্দেশ্য শুধু সুবিধা ভোগ করা নয় তো? এমন প্রশ্ন অনেকের মধ্যে উঁকি মারছে নেতা নামধারী বিভিন্ন জনের কর্ম দেখে।
বলাবাহুল্য যে, নির্বাচনের আগে- আনেক আগে থেকেই রাজনীতির মাঠে নুরুল আমিন একজন দল নিবেদিত এবং দলের জন্য পরিশ্রমী নেতা যে তা আর বৃহদাকারে বলার অবকাশ রাখে না। নির্বাচনের পর যখন এমপি নির্বাচিত হলেন তখন থেকে তির পরিশ্রম যেনো আরো বহুলাংশে বেড়ে গেছে। কিন্তু, তিনি ও তো একজন রক্ত-মাংসে গড়া অন্য আরো দশজনের মতো মানুষ। তথাপি, দলীয় নেতা কর্মী এবং সাধারণ মানুষরা তা বিবেচনায় না রেখে একটু ও বিশ্রামের সুযোগ দিতে নারাজ তারা! যখন তখন ভিড় জমিয়ে ক্লান্ত মানুষটিকে বেকায়দায় ফেলে দেয়। বলতে ও পারেন না এবং সইতে ও পারেন না অবস্থার মধ্যে সময় পার করে যাচ্ছেন তিনি। নির্বাচনের পর দীর্ঘ ৭ মাসের ও অধিক সময় ধরে তিনি দিন-রাত (সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত) তার নির্বাচনী এলাকা মীরসরাই উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় কি রকম ভাবে চষে বেড়িয়ে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তা দলের নেতা কর্মীর বাইরে দলের বিরোধী লোকজন সহ সাধারণ মানুষরা দেখতে পাচ্ছেন। এলাকায় না গেলে বা মানুষকে সময় না দিলে নির্বাচনের আগে যেমন ছিলো এখন তেমন নেই এমন বদনামের বোঝা বইয়ে যেতে হবে সারাজীবন। অথচ, তিনি ও যে অন্য দশজনের মতো রক্ত মাংসে গড়া একজন মানুষ এবং তার ও শারিরীক ক্লান্ততা থাকতে পারে সেই কথা বুঝতে নারাজ মনে হয় তারা, যারা সময়ের ছকে ধরাবাধা হীন ভাবে তার সাথে কথা বলতে চেয়ে ভিড় জমায়।
নুরুল আমিন এমপি মাসব্যাপী সমগ্র মীরসরাই ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও বিভিন্ন খেলার মঞ্চে এবং খেলার সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে থাকতে একেবারেই ক্লান্ততার মধ্যে ছিলেন। তার ফর আবার শুরু হতে যাচ্ছে আন্তঃ উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট। এর- ই ফাঁকে গত কয়েক দিন ধরে তিনি তার নির্বাচনী ওয়াদা মোতাবেক মীরসরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভা এলাকার ভাঙাচোরা রাস্তা সংস্কার করে দেয়ার ওয়াদা পুরণ করে দেয়ার মানসিকতা স্বশরীরে পরিদর্শন করে চলেছেন। সরকার ৯ টা থেকে বিকাল-সন্ধ্যা পর্যন্ত মোটরসাইকেলের পিছে বসে একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন বিরামহীন ভাবে। এর ও নিস্তার নেই! নিজ বাসা-অফিসে ফিরে আসার পর সাধারণ মানুষ সহ শতো শতো নেতা কর্মীরা ভিড় জমায় সেখানে। এর ফর চলে গভীর রাত পর্যন্ত করে।
গতকাল ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার) সড়ক/রাস্তা পরিদর্শনে সংবাদ কাভারেজ দেয়ার দায়িত্বে তার সাথে থাকা এই প্রতিবেদক একটি বিষয়ে উপরোল্লিখিত কথার সত্যতা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করেন। উৎস স্বরুপ দেখতে পান-সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গিয়ে বিভিন্ন রাস্তা পরিদর্শনের শেষ প্রান্ত মীরসরাই উপজেলার ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড আজম নগর গ্রাম এলাকায় (চিনকীরহাট বাজারের পশ্চিম সন্নিকট) পৌঁছে তদোলাকার রাস্তা পরিদর্শন করতে মোটরসাইকেল থেকে নামার পর পরই বিরামহীন অধিক ক্লান্ততার রেশে মাথা ঘুরারতাবস্থায় ঢুলুমুলু হাঁটতে গেলে এই প্রতিবেদক হাত ধরে তাকে রোদ্রের তাপ থেকে গাছের ছায়ায় নিয়ে যান। অথচ, সে সময় তার সাথে থাকা অন্যান্য নেতাদের ভ্রুক্ষেপ ও ছিলো না সেই দিকে!
এমপি হলে ও কিন্তু সে ও একজন মানুষ যে সেই কথা দলীয় নেতা কর্মী সহ সর্ব সাধারণের মনে রাখা অত্যাবশ্যক হিসেবে মূল্যায়ন করা সবার-ই হিসেবে নিহিত রাখার দরকার।
প্রকাশক ও সম্পাদক সোহেল সরকার কর্তৃক
বাংলা নিউজ মিডিয়া থেকে সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp +44 7574 879654
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩