প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ১৮, ২০২৬, ৫:২৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১৭, ২০২৬, ৪:৪০ পি.এম
রাজনীতিতে হাসনাত হইলো এনসিপির গ্যাংস্টার।

আব্দুল কাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
কোন ভয়ডর নাই। খালেদ মুহিউদ্দীনের সঙ্গে হাসনাত আব্দুল্লাহর খোলামেলা আলাপ দেখলাম।
হাসনাতের ভাষায়, রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতায় যাওয়া না। রাজনীতি হইল এমন একটা নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া, যেইখানে দেশের বেশিরভাগ মানুষের কল্যাণ আর সমতা নিশ্চিত করা যায়। আর জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া সেই নীতি বাস্তবায়ন করাও সম্ভব না।
নির্বাচন আর টাকা প্রসঙ্গ নিয়া বলছে যে-
রাজনীতিকে টাকা আর দুর্নীতির চক্র থেকে বের কইরা আনা তার অন্যতম লক্ষ্য।
নিজের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যক্তিগত টাকার চেয়ে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই বড় ছিল। আর কারো কাছে কোনো বিষয়ে দায়বদ্ধ নয় সে।
মাজার ভাঙা প্রসঙ্গে বলে-
কারো ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা ধর্মীয় বিশ্বাস জোর কইরা অন্যের ওপর চাপায়া দেওয়া ঠিক না। মাজার ভাঙা কিংবা ধর্মীয় ইস্যুতে তার অবস্থানটা মোটামুটি পরিষ্কার।
সংখ্যালঘু ইস্যুতে বলে-
মেজরিটি-মাইনরিটি এই ভাগাভাগির বাইরে গিয়া সবাইকে সমান বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে দেখতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সামাজিক সচেতনতার ওপরও জোর দিতে হবে।
বসুন্ধরার কথা বলতে ভোলেনা হাসনাত, বলে-
বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর প্রভাব থেকে রাজনীতি আর গণমাধ্যমকে মুক্ত করা দরকার।
বসুন্ধরার মতো বড় প্রতিষ্ঠানের প্রভাব ও মিডিয়া প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে নিজের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলে সে।
সব মিলায়া, কথাবার্তায় একটা বিষয় বেশ স্পষ্ট, ক্ষমতা দখলের রাজনীতির বাইরে গিয়ে রাজনীতি, রাষ্ট্র আর নাগরিক অধিকারকে নতুনভাবে দেখার একটা অবস্থান তুলে ধরতে চাইতেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
দেখাযাক হাসনাত কতটা সফল হয়। তার উপর আস্থা রাখলাম। তরুণরা যদি এই দেশের রাজনীতি ঠিক করতে পারে তাহলে এই দেশ বদলাইতে সময় লাগবনা।
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 01886833283
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩