মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি।
উত্তরের সবুজ পাহাড় থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরী-মহারশির জলরাশি যেন আবারও পরীক্ষা নিচ্ছে ঝিনাইগাতীর স্থিতিস্থাপকতা।
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় মহারশি নদীর পানি ক্রমাগত বেড়ে চলছে। ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এখন পর্যন্ত ঝিনাইগাতী বাজারের নিচু অংশে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। রামেরকুড়া, খৈলকুড়া, দিঘিরপাড়সহ আশপাশের নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলোতে পানি বাড়ছে দ্রুত।
মহারশি নদী শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী একটি জলধারা। মাত্র ১৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সর্পিলাকার নদীটি একদিকে যেমন সেচ ও মৎস্য সম্পদের উৎস, অন্যদিকে বর্ষাকালে তার উদ্দাম রূপ স্থানীয়দের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
ভারতের মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের সঙ্গে স্থানীয় বৃষ্টিপাত মিলে এবারও নদীকে ফুলিয়ে তুলেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, “প্রতি বছর এই সময়ে একই ঘটনা ঘটে। বাঁধ মেরামত না হলে, খনন না করলে আমাদের দুর্ভোগ কমবে না।” অনেকেই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে পানি আরও বাড়তে পারে।
এই মুহূর্তে সকলের সতর্কতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। নদীকে বাঁচাতে, নদীর তীরবর্তী এলাকাকে সুরক্ষিত করতে স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজে বের করা দরকার।
মহারশি যেন আবারও শান্ত হয়ে ফিরে আসে তার স্বাভাবিক রূপে — এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।
প্রকাশক ও সম্পাদক সোহেল সরকার কর্তৃক
বাংলা নিউজ মিডিয়া থেকে সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp +44 7574 879654
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩