সুনামগঞ্জের তাহিরপুর
উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের প্রায় ৫ লাখ টাকার আর্থিক হিসাব নিয়ে গড়মিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের সময় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট হিসাবের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক শিপলু স্যারের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া হলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলু
বলেন, "বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। আমার কাছে কিছু টাকা রয়েছে। আমি আগামীকাল ব্যাংকে জমা দিয়ে দেব।"
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, "না, না, এ ধরনের কোনো বিষয় নয়। যদি হিসাবে গড়মিল থাকে, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এগুলো বিভিন্ন খাত থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। সংগ্রহের পর হিসাবভুক্ত করতে কিছু বিলম্ব বা অসঙ্গতি হয়ে থাকতে পারে।"
সহকারী শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের অর্থ কীভাবে গেল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমি ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে টাকা দিয়েছিলাম। সেখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত হিসাবটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।"
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তারা বলছেন, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হলে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 01886833283
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩