
কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ রায়হান কবীর ২৯ ডিসেম্বর সোমবার রাত আনুমানিক ১০.৪৫ মিনিটে ঢাকায় অবস্থিত ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
রায়হান কবীর কুড়িগ্রাম আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মৃত, মোজাম্মেল হকের কনিষ্ঠ পুত্র। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।
পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়হান কবীর দীর্ঘদিন ধরে হার্ট ও কিডনি জনিত সমস্যা সহ নানাবিধ জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন।
গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল যুবদলের নেতাকর্মীসহ ঢাকায় তারেক রহমানের সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে নেতাকর্মীরা চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এদিকে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের মাতম বিরাজ করছে। রায়হান কবীরের মৃত্যুতে রাজারহাট উপজেলা বিএনপি , যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল সহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। রাজারহাট উপজেলাধীন চাকিরপশার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনসুর আলী সহ ৯ ওয়ার্ডের বেশ কিছু নেতাকর্মী বলেন ,রায়হান কবীরের তুলনা তিনি নিজেই।
দলের গুরুত্বপূর্ণ এই সময় তার চলে যাওয়া এক অপুরনীয় ক্ষতি।
যা সহজে পুরন হবার নয়।
রায়হান কবীর অত্যন্ত দায়িত্বশীল কর্মী বান্ধব ও দক্ষ নেতা ছিলেন।
বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে রায়হান কবীর হামলা মামলা সহ বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হন।
তিনি একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক ছিলেন।
রায়হান কবীর মৃত্যুকালে স্ত্রী,এক ছেলে এক মেয়ে ও অসংখ্য নিবেদিত নেতাকর্মী রেখে গেছেন।
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 01886833283
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩