নীলফামারী প্রতিনিধি ॥ নীলফামারী-০১ (ডোমার–ডিমলা) আসনে নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিএনপি–জমিয়ত জোট প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দির বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনগণ তাকে হাতেনাতে আটক করলে পরবর্তীতে বিএনপি–জমিয়ত কর্মীদের হামলায় জামায়াতকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় কর্তব্যরত সাংবাদিকদেরও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়।
ঘটনাটি ঘটে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরের স্কুলসংলগ্ন এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টাকা বিতরণের সময় জনগণ প্রার্থীকে তার গাড়িসহ আটক করেন। আটক গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ ৩৭-৪০৮৪।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও জমিয়তের একদল নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে এসে হামলা চালায়। এতে জামায়াতকর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা আহত হন। আহতদের ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত আবদুল মজিদ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বিএনপি–জমিয়ত নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে উত্তেজিত হয়ে তাদের মারধর ও লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি নিজেদের দায় আড়াল করতে কিছু নিরীহ হিন্দু ভোটারকে সামনে এনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টাও চালানো হয়।
জামায়াতে ইসলামী নেতারা অভিযোগ করে বলেন, দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সাত্তারের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা ঘটানো হয়েছে। পরে পুলিশ, সচেতন জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপির বালাপাড়া ইউপি সাবেক সভাপতি হামিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এই হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডিমলা উপজেলা শাখা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 01886833283
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩