নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলের সেচ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে তিস্তা যান্ত্রিক বিভাগ। আর এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের নেতৃত্বে থেকে দক্ষতা, সততা ও উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলাম।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভাগটির কার্যক্রমে এনেছেন গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করে যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ, দ্রুত মেরামত এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর দিয়েছেন তিনি। ফলে সেচ কার্যক্রম আরও নিরবচ্ছিন্ন ও কার্যকর হয়েছে, যার সুফল পাচ্ছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, মাঠপর্যায়ে সরেজমিন তদারকি এবং সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি অর্জন করেছেন সাধারণ মানুষের আস্থা। কৃষকদের ভাষ্যমতে, তার আন্তরিক প্রচেষ্টায় সেচ সুবিধা সহজলভ্য হয়েছে এবং ফসল উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
অফিস ব্যবস্থাপনাতেও এনেছেন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দলগত কাজের মনোভাব গড়ে তুলে তিনি একটি কর্মক্ষম ও উদ্যমী পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার নেতৃত্বে বিভাগটি এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সক্রিয় ও ফলপ্রসূ।
এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, “কৃষকই আমাদের দেশের মূল শক্তি। তাদের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা আমাদের লক্ষ্য।”
সার্বিকভাবে বলা যায়, মোঃ মনিরুল ইসলামের দক্ষ নেতৃত্বে তিস্তা যান্ত্রিক বিভাগ একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যা অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 01886833283
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩