মিরপুর ১০ নাম্বারে সাদ্দাম টিংকু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ অস্থায়ী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা!

রঞ্জু মিয়া নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-সাদ্দামবাহিনীর কিশোর গ্যাং এর মারধর দোকানপাট দখল ও চাঁদা না দিলে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় করা সহ শাহাদত আব্বাস আরো অন্যান্য বাহিনীর ভয় দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি ও মারধর রক কাটা থেকে মুক্তিপেতে ও স্বাধীনভাবে বাঁচতে চায় মিরপুর ১০ নাম্বার এর আশেপাশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

সাদ্দাম বাহিনী বৈধ কোন কাজ করেনা, তার পরেও তারা ফ্ল্যাট জমিসহ কয়েক কোটি টাকার মালিক।

সাদ্দামের দখলে গার্মেন্টস আবাসিক হোটেল ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, সাদ্দাম টাকা দিয়ে কিছু অসাধু প্রশাসন রাজনীতিবিদদের কিনে নেয়।

সাদ্দাম মিরপুর দশ নম্বরে ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ করে, ফুটপাতের নামে দোকান চলে, সকল দোকান থেকে চাঁদা নেয়।

মিরপুর আইডিয়াল স্কুলের সামনে সাদ্দাম ও মোশারফ ৪০ থেকে ৫০ টি দোকান দখল করে খাচ্ছে।

আইডিয়ালের সামনে থেকে প্রতি মাসে পাঁচ থেকে সাত লক্ষ টাকা আদায় করে।

সাদ্দাম বাহিনী পুলিশ সার্জেন্টের নামেও চাঁদা আদায় করে,তারা আবাসিক হোটেলগুলো থেকেও প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে।

প্রতি মাসে ফুটপাত হোটেল গার্মেন্টস অন্যান্য সাইট থেকে ১০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে।
সাদ্দাম একটি অবৈধ পানির ব্যবসা করে, তার পানি সবাইকে জোর করে দেয় কেউ পানি না নিলে তাকে মারধর করে দোকান বন্ধ করে দিতে চায়, সাদ্দাম বাহিনীর কাছে কয়েকটি বিদেশি পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র আছে সাদ্দামের দুলাভাই র‍্যাবের বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়।

সাদ্দাম টিংকু আসামি ছিল র‍্যাবের সারোয়ারের পিস্তল মারধর করে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

সাদ্দাম টিংকু মূলত বিএনপি করে বিএনপি আমল থেকে তারা ২০২২ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করে আসিতেছে।

সাদ্দাম টিংকু বাহিনী রাজত্ব থেকে তাদের প্রতিহত করার মত কেউ নাই, মানুষ সাদ্দাম টিংকু বাহিনীর কাছে জিম্মি জিম্মি হয়ে থাকতে হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরকে।
মানুষ সাদ্দাম টিংকু বাহিনীর কাছে জিম্মি আছে, জিম্মি হয়ে থাকবে সাদ্দাম বাহিনীর রাডারের সামনে সিএসজি স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ৩২০ টাকা করে।

সিএনজি থেকে চাঁদা আদায় করে তাদের প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় হয়।

মোশারফ টেম্পু সাদ্দাম ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্যের নাম ভাঙ্গিয়ে ও তার অফিসে খরচের নামে আইডিয়াল স্কুলের সামনে থেকে, প্রতিদিন দোকান থেকে পঞ্চাশ টাকা করে আদায় করে।

১।সাদ্দাম পিতাঃ আমির আলী ঠিকানা বাসা ১৭ বা ১৮ রোড ৩ ব্লক বিসেকশন মিরপুর-১০।
২।টিংকু পিতাঃ অজ্ঞাত ঠিকানা ৮ রোড নাম্বার ৪ ব্লক।
৩। মোশারফ পিতাঃ অজ্ঞাত ঠিকানাঃ অজ্ঞাত।
৪।পারভেজ পিতাঃ সহিদ ঠিকানাঃ অজ্ঞাত।
৫।সোহেল পিতা অজ্ঞতা
৬।ছোট বাপ্পী পিতার নাম অজ্ঞত ঠিকানাঃ অজ্ঞাত।
৭।এরশাদ পিতা মুস্তাফিজুর রহমান ঠিকানা অজ্ঞাত।
৮।মুক্তার পিতা অজ্ঞাত ঠিকানা অজ্ঞাত।
৯।জাপান পিতা অজ্ঞাত ঠিকানা অজ্ঞাতসহ এই বাহিনীর আরো ৩৫ থেকে ৪০ জন সদস্য ছিনতাই রাহাজানি চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি মানুষ কিডনাপিং গুম খুন সহ বিভিন্ন ধরনের কাজে লিপ্ত থাকে এ বাহিনীর সদস্যরা।

এদের হাত থেকে রক্ষা পেতে দুলাল নামে এক দোকানদার বাদী হয়ে বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্ধতম কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করে এছাড়াও মিরপুর মডেল থানায় জিডি সহ অভিযোগ দায়ের করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *