মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের নির্দেশে সড়ক দুর্ঘটনার মুমূর্ষ রোগী হাসপাতালে

 

রুহুল আমিন,জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ।

মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খানের নির্দেশে হাসপাতালে পৌছালো রাস্তায় পড়ে থাকা সড়ক দূর্ঘটনায় আহত মুমুর্ষু রোগী মো. আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস (৬০)। তার বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা গ্রামে। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক।

 

 

জানাগেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে জেলা পুলিশের একটি টিম পূজা মণ্টপ পরিদর্শনে যাওয়ার পথে হেমায়েতপুর-সিংগাইর-মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পালড়া নামক স্থানে ষাটোর্ধ ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ গোলাম আজাদ খান আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। নির্দেশ মোতাবেক সদর থানার ওসি আব্দুর রউফ সরকার তাৎক্ষণিকভাবে ওই রোগীকে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক মুমূর্ষু রোগী কুদ্দুস বিশ্বাসকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎিসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

 

 

আহত কুদ্দুস বিশ্বাসের বড় ছেলে সুমন বিশ্বাস বলেন, আমার বাবা মিতরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক। আজ ইশার নামাজ শেষে পালড়া বাজারে যাওয়ার পথে তিনি দূর্ঘটনায় পতিত হন। পুলিশ আমার বাবাকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমার বাবার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাচ্ছি।

 

 

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতারের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. শাামীমা জানান, দুর্ঘটনায় আহত কুদ্দুস বিশ্বাসের মস্তিস্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে। মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই দেয়া হয়েছে। জটিলতার কারণে তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রউফ সরকার বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়সহ আমাদের একটি টিম বেতিলা মিতরা ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছিল। পথে পালড়া নামক স্থানে পৌঁছালে রাস্তার পাশে নির্জন স্থানে একজন বৃদ্ধ লোককে পড়ে থাকতে দেখি। তখন তার মাথা ও কাঁধে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

 

 

তিনি আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সিএনজি, হ্যালোবাইক অথবা অন্য কোনো যানবাহনের ধাক্কায় তিনি আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের গাড়িযোগে আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তাররা বলেছেন, একটু দেরিতে আসলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *