রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আমির সুলতান এন্ড দিল-নেওয়াজ বেগম হাই স্কুলে জাঁকজমকপূর্ণ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান রুমায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে কোনো অপকর্ম ঠেকাতে বিজিবি’র কুইক রেসপন্স ফোর্স প্রস্তুত আছে। কুন্দপুকুর ইউনিয়নে গণসংযোগে ব্যস্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ তাহিরপুরের আনন্দবাজারে জামায়াতে ইসলামীর পথসভা ও মিছিল। অটিজম কাউন্সেলিং চাইল্ড কেয়ারের নব যাত্রায় অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত ঢাকা-১৯ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মনোনীত শ্রমিক নেতা কামরুল ইসলাম মৃধা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন দাবি বিএনএ’র শেরপুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ! নাটোরে নানা আয়োজনে চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি উদযাপন সিরাজগঞ্জ ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থীর বেলকুচি প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়।

জমি বন্ধকের নামে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, নীলফামারী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম / ৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: নীলফামারী সদর উপজেলায় জমি বন্ধকের নামে পাঁচ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা নীলফামারী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগকারী হলেন—
মোঃ ময়নুল ইসলাম (পিতা: মোঃ বুলবুল ইসলাম) ও মোঃ মোবারক আলী (পিতা: মৃত জমেতুল্লা)। তারা উভয়েই উত্তর আশশী কারবালার ডাঙ্গা, পঞ্চপুকুর, নীলফামারী সদর উপজেলার বাসিন্দা।

লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, গত ৩ জুন ২০২৪ ইং তারিখে বিবাদী মোঃ আবু বকর (পিতা: ন্যাগা কুড়া) ও তার ছেলে মোঃ মোরজালিনের সঙ্গে ৩.৫ বিঘা জমি বন্ধক সংক্রান্ত একটি চুক্তি সম্পাদন হয়। এ সময় প্রথম ধাপে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ৫০ হাজার টাকা, মোট ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন বিবাদীরা। চুক্তিটি ৩০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পন্ন হয়।

অভিযোগে বলা হয়, টাকা গ্রহণের সময় জমিতে সেচ মৌসুমের ধান ছিল। ধান কাটার পর জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা থাকলেও ধান কাটার পরপরই বিবাদীরা পুনরায় জমি চাষ শুরু করেন। বাদী পক্ষ জমিতে গেলে তারা নানা ধরনের টালবাহানা করতে থাকেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্বাক্ষীদের নিয়ে একাধিকবার টাকা ফেরত কিংবা জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হলেও বিবাদীরা কখনো টাকা দেবেন, কখনো জমি দেবেন—এমন আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, জমির প্রকৃত মালিক মরহুম মোজাম্মেল হক (সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা)-এর দুই ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আল আহাদ ও মোঃ আব্দুল্লাহ আল হাদী। তারা ঢাকায় বসবাস করেন এবং তাদের সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন বিবাদীরা। বিবাদীরা মালিকদের না জানিয়েই বন্ধক সম্পন্ন করেন এবং ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা হলে নিজেরাই দায় নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
দীর্ঘদিন হয়রানির শিকার হয়ে অন্য কোনো উপায় না পেয়ে ন্যায়বিচারের আশায় অভিযোগকারীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে নীলফামারী সদর থানার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর