রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গুরুদাসপুরে সাংবাদিক সোহেল রানা ও পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ নিলাদ্রী লেক নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, অভিযোগকারী পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন। ঢাকার ‘লকডাউন’ সফল হওয়ায় জনসাধারণকে ধন্যবাদ ড. জয়নুল আবেদীন রোজের শ্রীবরদী ৬নং সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আশিক মাহমুদ সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী লন্ডনে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঝিনাইগাতীতে পর্যটকদের জন্য মোটেল নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন অতিরিক্ত সচিবের নিউরোচেক প্রো’র প্রতিষ্ঠাতা সিইও তানহা তাবাসসুম হেলথ এশিয়া কনফারেন্স ২০২৬ যোগদান 📚 আইন পেশায় আসার আগে যে চারটি মানসিক প্রস্তুতি নিতে হবে: অন্ধকার ঘরে ১০ বছর ধরে শয্যাশায়ী ঝমেলা, স্বামী-সন্তান হারিয়ে নিঃসঙ্গ জীবন:চিকিৎসা ও বিদ্যুৎহীনতায় মানবেতর দিন কাটছে বৃদ্ধার স্ত্রী প্রবাসে যাওয়ার পর সন্তানসহ বাবার বিষপান, ৩ শিশুর মৃত্যু।

তাড়াশে দুই দিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক

জিয়াউল ইসলাম জিয়া / ১৮৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

আলহাজ্ব সরকার টুটুল তাড়াশ সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

টানা বৃষ্টিতে ও ঝড়ো বাতাসে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় পাকা ধান নুয়ে পড়েছে। কৃষকরা বলছেন, পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার এখনই মোক্ষম সময়। এই মুহূর্তে বৃষ্টি হওয়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আগামী দুইদিন রোদ না হলে এসব ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল ) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি মাঠ ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের কারণে অনেক স্থানে পাকা ও আধাপাকা ধান নুয়ে পড়েছে।

এতে পাকা ধান নিয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে জমিতে কেটে রাখা ধান নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন তারা। এছাড়া অতি বৃষ্টিতে ফসল বাঁচাতে পানি সরানোর চেষ্টা করছেন কৃষক। মনোহরপুর গ্রামের কৃষক সুজন মোল্লা জানান, বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের কারণে ইতোমধ্যে চরম ক্ষতি হয়েছে। এক একর জমিতে আগে যেখানে প্রায় ৪০ মণ ধান পাওয়া যেত, এখন সেখানে ৩০ মণ হতে পারে। পওতা গ্রামের কৃষক আপেল মাহমুদ বলেন, আকাশ পরিষ্কার থাকায় ধান কেটে শুকানোর জন্য মাঠে রেখেছিলাম।

কিন্তু অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছি। রানীদিগি গ্রামের কৃষক জিয়াউর রহমান জানান, জমিতে জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশন না করতে পারলে নুয়ে পড়া পাকা ও আধাপাকা ধান জমিতেই নষ্ট হয়ে যাবে। মালশিন গ্রামের কৃষক আবু হানিফ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খাল ও জলাশয় দখল, পুকুর খননসহ নানা কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ রয়েছে।

ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে। এ বিষয়ে, তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা জানান, বোরো ধানের জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য সব উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের জরুরি পরামর্শ দিতে মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো হলে দুই/তিনদিনের মধ্যে নুয়ে পড়া ধানের তেমন ক্ষতি হবে না। আপনার মতামত লিখুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর