মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

তাড়াশে দুই দিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক

জিয়াউল ইসলাম জিয়া / ১১৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

আলহাজ্ব সরকার টুটুল তাড়াশ সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

টানা বৃষ্টিতে ও ঝড়ো বাতাসে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় পাকা ধান নুয়ে পড়েছে। কৃষকরা বলছেন, পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার এখনই মোক্ষম সময়। এই মুহূর্তে বৃষ্টি হওয়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আগামী দুইদিন রোদ না হলে এসব ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল ) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি মাঠ ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের কারণে অনেক স্থানে পাকা ও আধাপাকা ধান নুয়ে পড়েছে।

এতে পাকা ধান নিয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে জমিতে কেটে রাখা ধান নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন তারা। এছাড়া অতি বৃষ্টিতে ফসল বাঁচাতে পানি সরানোর চেষ্টা করছেন কৃষক। মনোহরপুর গ্রামের কৃষক সুজন মোল্লা জানান, বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের কারণে ইতোমধ্যে চরম ক্ষতি হয়েছে। এক একর জমিতে আগে যেখানে প্রায় ৪০ মণ ধান পাওয়া যেত, এখন সেখানে ৩০ মণ হতে পারে। পওতা গ্রামের কৃষক আপেল মাহমুদ বলেন, আকাশ পরিষ্কার থাকায় ধান কেটে শুকানোর জন্য মাঠে রেখেছিলাম।

কিন্তু অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছি। রানীদিগি গ্রামের কৃষক জিয়াউর রহমান জানান, জমিতে জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশন না করতে পারলে নুয়ে পড়া পাকা ও আধাপাকা ধান জমিতেই নষ্ট হয়ে যাবে। মালশিন গ্রামের কৃষক আবু হানিফ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খাল ও জলাশয় দখল, পুকুর খননসহ নানা কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ রয়েছে।

ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে। এ বিষয়ে, তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা জানান, বোরো ধানের জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য সব উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের জরুরি পরামর্শ দিতে মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো হলে দুই/তিনদিনের মধ্যে নুয়ে পড়া ধানের তেমন ক্ষতি হবে না। আপনার মতামত লিখুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর