বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চারঘাটে ৩ দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা শুরু ঝিনাইগাতীর কৃতি সন্তান আবুল হাসান রাজু অতিরিক্ত কৃষি অফিসার পদে পদন্নোতি প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ বাঁশখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বৈত সাফল্য ছাতকে ব্রি ধান১১৪ ফসল কর্তন ও মাঠ দিবসে কৃষকদের ব্যাপক উৎসাহ ঝিনাইগাতীর কৃতি সন্তান রেজাউল করিম অতিরিক্ত কৃষি অফিসার পদে পদোন্নতি  দেড়মাসেও সন্ধান মিলেনি নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের শিশু তাহমিদার হতাশায় ভুগছেন পরিবার ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত হোক ঈদুল আযহা : আমির হোসাইন বাঁশখালী থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ওসির নির্দেশনায় এসআই আজিজুর রহমানের সফল অভিযান বাঁশখালী উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হলেন শেখ ফাহমিদা সুলতানা ঝিনাইগাতীর কৃতি সন্তান রেজাউল করিম  ৬ষ্ঠ গ্রেডে সিনিয়র স্কেলে উপজেলা কৃষি অফিসার পদে পদোন্নতি 

দোয়ারাবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সুরমা ইউনিয়ন এর বর্তমান চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ

প্রতিবেদকের নাম / ৫৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

 

নুরুজ্জামান( দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

 

খুব শীঘ্রই উপজেলা নির্বাচন-সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে– সরকারের তরফ থেকে এমন ঘোষণার পর দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বলা চলে, দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন বেশ সরগরম। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা এবং সাধারণ ভোটারদের জল্পনা-কল্পনায় নতুন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে। এই নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যে বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বহুল পরিচিত সমাজসেবী ও ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ হারুন অর রশীদ । তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে তৃণমূলের অনেকে তাঁকে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন ।

 

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করেন, দোয়ারাবাজার উপজেলার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে হারুন অর রশীদ এর মতো একজন যোগ্য, সৎ এবং দূরদর্শী মানুষই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে উপযুক্ত। তাঁর সমর্থকদের মতে, হারুন অর রশীদ এর সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো তাঁর সামাজিক অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সাথে সুগভীর সম্পর্ক। সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে আসা সম্ভাব্য এই উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অত্যন্ত ভদ্র, অমায়িক এবং মৃদুভাষী মানুষ হিসেবে পরিচিত। এই সদালাপী ব্যক্তিত্বই তাঁকে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তাঁর পরিচ্ছন্ন ইমেজ তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

 

দোয়ারাবাজার উপজেলার অনেক সচেতন নাগরিক মনে করেন, একজন উপজেলা চেয়ারম্যানকে হতে হয় জনবান্ধব এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন। হারুন অর রশীদ এর সেই সক্ষমতা রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াননি, বরং সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা লালন করেছেন। তিনি একজন পরিশ্রমী রাজনৈতিক নেতা। এমন একটি ইতিবাচক ইমেজের কারণে তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভোটারদের অনেকে মনে করছেন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং উপজেলার সমস্যা নিরসনে তিনি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান, তবে দোয়ারাবাজার উপজেলার একটি দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

 

উপজেলা নির্বাচনের সমীকরণে জনপ্রিয়তাই জয়ের মূল চাবিকাঠি। মাঠ পর্যায়ে তাঁর যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাতে অনেকে মনে করছেন, তিনি যদি শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল তাঁর অনুকূলে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল থেকে এই দাবি ওঠার পেছনে প্রধান কারণ হলো, স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তন ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সময়ে দলের চেয়েও ব্যক্তিগত স্বচ্ছতা ও জনপ্রিয়তাকে ভোটাররা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর এই মানদণ্ডেই হারুন অর রশীদ অন্য অনেকের চেয়ে এগিয়ে থাকছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। উপজেলা নির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রবল।

 

যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূলের এই জোরালো দাবি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। দোয়ারাবাজার উপজেলার মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন ও একটি আধুনিক উপজেলা বিনির্মাণের স্বপ্নপূরণে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়। আর তাঁর দল বিএনপিও তাঁকে সমর্থন করে কিনা সেটাও দেখার বিষয়। অনেকে মনে করছেন, তৃণমূলে হারুন অর রশীদ এর জনপ্রিয়তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নিয়ে আসবে।

 

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট—তারা এমন একজন প্রার্থী খুঁজছেন যিনি জনগণের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন এবং উপজেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন। সেই প্রত্যাশার সাথে হারুন অর রশীদ রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত আচরণের মিল থাকায় তাঁকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহের পারদ ক্রমশই চড়ছে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে যে বেশ জমজমাট হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর