বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গাছা থানা পুলিশের অভিযানে মহাসড়ক দখলমুক্ত। গাজীপুরে চোরাই সিএনজি উদ্ধার, দুইজন গ্রেফতার। শেরপুরে প্যাঁচা ছানা উদ্ধার : নিরাপদে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ। তাহিরপুরে আনসার প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি। সাফল্যের সিঁড়িতে দৃপ্ত পদচারণা: নজর কাড়ছেন নবাগত আদ্রিজা আফরিন সিনথিয়া সংসদে কামরুল,তুলে ধরলেন হাওর অঞ্চলের কথা। শেরপুরে টাঙ্কে ভরা অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার! পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন করবেন না বালিয়াডাঙ্গীতে পুলিশ সুপার। সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইনে পরিণত হচ্ছে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ। শেরপুরে কফি চাষে আশার আলো দেখাচ্ছেন উদ্যোক্তা সাজ্জাদ হোসেন তুলিপ!

সংসদে কামরুল,তুলে ধরলেন হাওর অঞ্চলের কথা।

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

সংসদে কামরুল,তুলে ধরলেন হাওর অঞ্চলের কথা।

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয় সংসদে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,মাননীয় স্পিকার আমাদের বর্ষাকালে নৌকা করে চলতে হয়,আর হেমন্তে মোটরসাইকেল। এছাড়া যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা নেই। এক ইউনিয়ন থেকে আরেকটি ইউনিয়নে যেতে নেই সরাসরি সংযোগ সড়ক। পাকা রাস্তা নেই বললেই চলে।

উল্লেখ্য,সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ অঞ্চলের নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেছেন,সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।

কামরুল বলেন,কিছু দিন আগে পানিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ভাই,আমার অঞ্চলটি ঘুরে দেখে এসেছেন। আমাদের হাওরবেষ্টিত অঞ্চল। সুনামগঞ্জ জেলা থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার ধান উৎপাদিত হয়। যার বেশিরভাগ আবার আমার(জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) আসনে। পানিসম্পদ মন্ত্রীকে বলতে চাই, হাওরের ফসলরক্ষার জন্য অনেক বেড়িবাঁধ আছে। এসব বেড়িবাঁধের কাজ পিআইসির মাধ্যমে হয়। হাওরে বেড়িবাঁধের কোনটার ৮০ শতাংশ আবার কোনটার ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পিআইসিগুলোকে এখন পর্যন্ত বিল দেওয়া হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। এমনটি চলতে থাকলে আগামীতে কেউ পিআইসি নিবে না। মাটির অভাবে করা যাবে না বাঁধের কাজ। তাছাড়া গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে হাওরের কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের কষ্টের ফসল এখনই বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

সাংসদ আরও বলেন, এখানে অনেক নদী রয়েছে। যেগুলো অনেক আগেই নাব্যতা হারিয়েছে। নদীগুলোতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খনন করা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে তিনি আরও বলেন, ২০০৪ সালে আপনি আমার এলাকায় গিয়েছিলেন। সেই সফরে আমাদের থাকার সুযোগ হয়েছিল। আপনি সেদিন দেখেছেন, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার নাজুক চিত্র। শিক্ষা আর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাতেও আমরা অবহেলিত। কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোর অবস্থাও নাজেহাল। এগুলোতে মনোনিবেশ দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

শেষে কামরুল বলেন, এখানে তিনটি শুল্ক স্টেশন আছে। সরকার সেখান থেকে তিনশো কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব পেয়ে থাকে। কিন্তু সে মোতাবেক এখানকার উন্নয়ন হয়নি। পরিবর্তে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ। প্রধানমন্ত্রীকে কথা দিচ্ছি, শুল্ক স্টেশন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে রাজস্বের পরিমাণ বেড়ে হাজার কোটিতে পৌঁছবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর