বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটি কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে সংসদ সদস্য টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশাল যুবসমাবেশে প্রধান অতিথি শাহজাহান চৌধুরী এমপি পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে চারঘাটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ তাহিরপুরে ভারতীয় নাসির উদ্দিন বিড়ির রমরমা ব্যবসার অভিযোগ, নেপথ্যে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট? বাংলা নিউজ মিডিয়ার কর্ণধার সোহেল সরকারের বড় ছেলে সালমান সরকারের ৪র্থ জন্মবার্ষিকী উদযাপিত তাহিরপুরে অ-বৈধ ভারতীয় নাসির উদ্দিন বিড়ির রমরমা ব্যবসা: দলীয় প্রভাব ও ডিলার সি-ন্ডিকেটের নেপথ্য কাহিনী জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে। এসআরবি-১৫-এর অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তা সুনামগঞ্জে সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন। মনে রেখো বাংলাদেশ! চুরি মামলার তদন্তে লেদা ক্যাম্প থেকে দুই রোহিঙ্গা আটক বাংলাদেশিদের রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজের ট্রফি উন্মোচন খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি সিলেটে কবি আবুল বশর আনসারীর কবিতার স্মৃতিফলক পরিদর্শনে চিত্রনায়ক হেলাল খান আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: রাজশাহীতে যুবদলের সমাবেশে এমপি মিলন প্রকাশিত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন খন্দকার মঞ্জুর আহমেদ। গাড়িবহরে হামলার মামলা: নীলফামারীতে আওয়ামী লীগের ৩ নেতাকর্মী আটক আজকের রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কি আগামী দিনের স্বৈরতন্ত্রের পথ তৈরি করছে? জাদিমুড়ায় রাস্তা দখল করে দোকান, রোহিঙ্গা যুবকের কারাদণ্ড
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশক ও সম্পাদক সোহেল সরকার কর্তৃক   বাংলা নিউজ মিডিয়া থেকে সম্পাদিত ও প্রকাশিত দৈনিক সোনালী সময় পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp +44 7574 879654

শেরপুর সীমান্তে হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা!

জিয়াউল ইসলাম জিয়া / ২৮৪ বার দেখা হয়েছে
নিউজটি প্রকাশ হয়েছে বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

শেরপুর সীমান্তে বন্য হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার কৃষকেরা।
হাতির আক্রমণে ফসলহানি ও জানমালের ক্ষতির আশঙ্কায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কাঁচা ও আধাপাকা বোরো ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা। এতে ফলন কমে যাওয়ার শঙ্কার পাশাপাশি বাড়ছে হতাশাও।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে ঝিনাইগাতীর গজনী, গান্ধীগাও, বাঁকাকুড়া এলাকায় হাতির আক্রমণে নষ্ট হয়েছে প্রায় ৫ একর জমির ধান। কোথাও ধান খেয়ে, কোথাও মাড়িয়ে ফসলের ক্ষতি করেছে হাতির দল।

কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৮ হাজার ৮৫৭ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে বোরো ধান। এর মধ্যে শ্রীবরদীতে ৪ হাজার ৫০১ হেক্টর, ঝিনাইগাতীতে ২ হাজার ২৪০ এবং নালিতাবাড়ীতে ২ হাজার ১১৬ হেক্টর জমি রয়েছে। অধিকাংশ জমির ধান পরিপুষ্ট হলেও পাকতে এখনও সময় বাকি।

ঝিনাইগাতী উপজেলার গান্ধীগাও গ্রামের রাজিব কোচ জানিয়েছেন, ৬০ শতক জমিতে ১৬ হাজার টাকা খরচ করে আবাদ করেছিলেন বোরো ধান। ধান পাকতে আরও ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগলেও হাতির ভয়ে তিনি দিনমজুর দিয়ে আগেই ধান কাটছেন।

তার ভাষ্য, ‘হাতির পাল এক রাতেই সব শেষ করে দিতে পারে। তাই বাধ্য হয়েই কাঁচা ধান কাটছি।’

রাজিব কোচের মতো এই একই শঙ্কা ও আতঙ্কে ভুগছেন শেরপুরের তিন উপজেলার শত শত কৃষক।
একই গ্রামের কৃষক লাল কৃষ্ণ কোচ বলেছেন, ‘দুই রাতে এক একর জমির ধান হাতি খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করেছে। এই ফসলেই সংসার চলত। এখন ক্ষতিপূরণের জন্য বন বিভাগের কাছে আবেদন করেছেন।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, বালিজুড়ি, খাড়ামুড়া, তাওয়াকুচা, গজনী, রাংটিয়া, সমশ্চূড়া, মধুটিলা ও বারমারি গ্রামজুড়ে চলছে আগাম ধান কাটার কাজ। কোথাও কাঁচা, কোথাও আধাপাকা, আবার কোথাও পরিপুষ্ট ধান কেটে নিচ্ছেন কৃষকেরা।

গজনী গ্রামের কৃষক অজন্তা সাংমা জানিয়েন, পাহাড়ে হাতির অবস্থান থাকায় দেরি করলে নষ্ট হয়ে যাবে ফসল। তাই ঝুঁকি এড়াতে আগেই ধান কাটছেন।

সমশ্চূড়া গ্রামের কৃষক মো. হানিফ মিয়া বলেছেন, ধান পাকতে আরও ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগত। কিন্তু ৪০ থেকে ৪৫টি হাতির দল মাঠে নামলে কিছুই করার থাকে না।

বন বিভাগের গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ জানান, ৪০ থেকে ৪৫টি হাতির একটি দলে রয়েছে প্রায় ১৫টি শাবক। দলটি গত এক সপ্তাহ ধরে ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বর্তমানে অবস্থান করছে নালিতাবাড়ীর সমশ্চূড়া ও বাতকুচি জঙ্গলে।

সমশ্চূড়া বিট কর্মকর্তা মো. কাওসার জানিয়েছেন, হাতির দল যাতে লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে। সে জন্য এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম ও স্থানীয়রা পাহারায় রয়েছে।

গজনী বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তোহিদুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের। এরইমধ্যে আবেদন করেছেন কয়েকজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ