শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বড়শশী ইউনিয়নের জনদুর্ভোগের নাম ‘সরদার পাড়া-বালা পাড়া’ সড়ক: সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর মাদকাসক্ত, ছিনতাই, চুরি ও জুয়ার বিরুদ্ধে রাজশাহীতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সুশাসনের বার্তা নিয়ে ছাতকে এলেন ইউএনও মহিউদ্দিন রাজধানীর গৈদারটেকে সংবাদকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় থানা কর্তৃপক্ষের মামলা রেকর্ড দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ও দ্রুত গ্রেফতারের দাবি। ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ, ছাতকের দায়িত্ব নিলেন ইউএনও মো. মহিউদ্দিন। পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতা মোরশেদ হাসানের আবেগঘন স্ট্যাটাস ঘিরে আলোচনা। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে লিচুর বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। তাহিরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামলে,পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ৭জন আটক। শেরপুরের কৃতি সন্তান ড. এমডি মাহফুজুর রহমান পিএইচ ডি ডিগ্রি অর্জন করলেন। আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দুদকের মামলা থাকা সত্ত্বেও পদে বহাল আরডিএ প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান।

রাজধানীর গৈদারটেকে সংবাদকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় থানা কর্তৃপক্ষের মামলা রেকর্ড দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ও দ্রুত গ্রেফতারের দাবি।

সহকারী বার্তা সম্পাদক মোঃ মনোয়ার হোসেন সেলিম / ১৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি।

রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন গৈদারটেক এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের ওপর সংঘটিত নৃশংস, পরিকল্পিত ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। জনস্বার্থে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের বর্বরোচিত হামলাকে স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, সম্পাদক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সচেতন মহল।ঘটনার তিন দিন পর, ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামালের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৪ মে ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী সাংবাদিক শাহিন আলম আশিক বাদী হয়ে দারুস সালাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত শেষে থানা কর্তৃপক্ষ মামলাটি রেকর্ড করে।
মামলার নম্বর ০৭/৬৭। এ ঘটনায় দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সহযোগিতাপূর্ণ ও সাংবাদিকবান্ধব ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিরা।ঘটনার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৪টায় ‘অপরাধ জগত’ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি শাহিন আলম আশিক তার সহকর্মীদের নিয়ে রাজধানীর গৈদারটেক এলাকায় অবস্থিত জনৈক সোহেল (৪০)-এর মিষ্টির কারখানায় সংবাদ সংগ্রহে যান।অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য তৈরি করা হচ্ছিল। জনস্বার্থে তথ্য যাচাই ও অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছবি ও ভিডিও ফুটেজ ধারণ করতে শুরু করেন।এসময় কারখানার মালিক সোহেলের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সাংবাদিকদের ঘিরে ফেলে বেধড়ক মারধর করে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের আচরণ ছিল অত্যন্ত ভয়ংকর ও নৃশংস। তারা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত সংবাদকর্মীরা হলেন,
গোলাম মগ্নী রিপন, তিনি বলেন, আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়। এতে তার বাম হাতের কনুইয়ের হাড় ভেঙে যায়। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর নীলা-ফোলা ও রক্তাক্ত জখমের সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে বিশেষভাবে নির্মম আচরণ করে। এ ছাড়া এ সময় ক্যামেরাম্যান রায়হান মোস্তফা গুরুতর আহত হয়। হামলাকারীরা বড় লোহার হাতা দিয়ে ক্যামেরাম্যান রায়হান মোস্তফার মুখে প্রচণ্ড আঘাত করে। এতে তার ডান চোয়ালের নিচের মাড়ির একটি দাঁত ভেঙে যায় এবং মুখমণ্ডল রক্তাক্ত জখম হয়। হামলার সময় তার ব্যবহৃত ক্যামেরা ও সরঞ্জামও ভাঙচুর করা হয়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। হামলার পর লুটপাট করে সন্ত্রাসীরা।শুধু শারীরিক নির্যাতনেই ক্ষান্ত হয়নি সন্ত্রাসীরা। হামলার একপর্যায়ে তারা সাংবাদিকদের পেশাগত সরঞ্জাম ও ব্যক্তিগত মালামাল ছিনিয়ে নেয়। এ সময় লুট হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১টি পেশাগত ক্যামেরা,১টি ক্যামেরার মেমোরি কার্ড,মোবাইল ফোনের ৩টি মেমোরি কার্ড,ক্যামেরা স্ট্যান্ড,ক্যাপ,চশমা,হাতঘড়ি,নগদ ১০,২০০ টাকা।সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবেই তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ক্যামেরা ও মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার বিবারনে আরো জানাযায়,এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩০৭/৩২৫/৩৮৪/৫০৬/১১৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।এফআইআর-এ ঘটনাটিকে উল্লেখ করা হয়েছে বে-আইনি জনতাবদ্ধ হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট, গুরুতর জখম, বলপূর্বক সম্পদ গ্রহণ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন” হিসেবে।মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দারুস সালাম থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোঃ জালাল উদ্দিনকে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় চলছে। ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, সম্পাদক, প্রকাশক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন ঢাকা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোঃ তৈয়বুর রহমান (ভাইস-চেয়ারম্যান, দক্ষিণ অঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও চেয়ারম্যান, হৃদয় গ্রুপ), ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হোসেন ভূঁইয়া (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব), বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান (আইন বিভাগ), বহুভাষাবিদ প্রফেসর মোঃ মাসুদ এ খান (চেয়ারম্যান, বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন), শেখ আয়ুব আলী (ডিপুটি রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), কাজী হায়াৎ (সভাপতি, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি), মোঃ মনোয়ার হোসেন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বাংলার ডাক), জাতীয় ফুটবলার মোঃ কাউসার হামীদ, অধ্যাপক ডা. হরিদাশ বিশ্বাস (সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ফরেনসিক মেডিসিন, ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়), সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খান সেলিম রহমান (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক মাতৃজগত),ঢাকা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি তালুকদার রুমী (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক পাজ্ঞেরী), সহ-সভাপতি মোঃ জসিমউদ্দিন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক আমার বার্তা), মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক ফলাফল), ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক আমার প্রণের বাংলাদেশ), মোঃ মিয়াজী সেলিম আহম্মেদ (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক আমাদের কণ্ঠ), মোঃ ওমর জালাল (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক গণজাগরণ ও দৈনিক পেজেন্ট টাইম), মোঃ শাহীন আল মামুন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক দেশ সংবাদ; ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিএনএন বাংলা টিভি), এস এম হানিফ মিয়া (চেয়ারম্যান, ক্রাইম রিপোর্টার সোসাইটি; সম্পাদক, দৈনিক অবদান), এম এইচ মোতালেব খান (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক মাতৃছায়া), এ মান্নান (সম্পাদক, দৈনিক নতুন বাজার),মুন্সী জামিল উদ্দীন বাবু (প্রধান সম্পাদক, দৈনিক বাংলার দূত), টিকে আজাদ (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক প্রতিক্ষণ), মোঃ জসিমউদ্দীন কিশোর (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক মেহেদী), এম আই ফারুক আহম্মেদ (সম্পাদক, দৈনিক কালের খবর), মোঃ ফজলুল হক (প্রকাশক ও সম্পাদক, অপরাধ তথ্যচিত্র), মোঃ আবু হাসান (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন), তাজুল ইসলাম তালুকদার হিরু (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক দুর্নীতি প্রতিদিন), এস এম দুলাল (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক বর্তমান খবর), মোঃ রেজাউল করিম (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক মাতৃভূমির খবর), মোঃ রফিকুল ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক আধুনিক বাংলা), রিপন তরফদার (সম্পাদক, দৈনিক মনিং ভয়েজ), মোঃ আব্দুল আজিজ (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক প্রাইম), মোঃ রফিকুল ইসলাম(পরিচালক এস টিভি বাংলা),মোঃ কামাল কবির (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক; প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বর্তমান খবর), এ কিউ বুলবুল (স্টাফ রিপোর্টার, বিটিভি; দৈনিক অবজারভার), নুরুন নাহার সীমা (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক প্রতিজ্ঞা), মোঃ শাহাদাৎ হোসেন শাহীন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক গণমুক্তি), মোঃ কামরুল ইসলাম কামাল (যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক কপোতাক্ষ; রিপোর্টার, দৈনিক নগরবার্তা), ডাঃ মোঃ শিব্বীর আহম্মেদ (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল সমাচার), মোঃ মাসুদ (যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক কর্ণফুলী), মোঃ তুহিন ভূঁইয়া (চেয়ারম্যান, ভিশন বাংলা), মোঃ জাহিদুর রহমান (সম্পাদক, দৈনিক নয়াদিন), মোঃ হাবিবুল্লাহ হাবীব (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক বাংলার নবকণ্ঠ), মোঃ ইমন আলামিন (নিউজ প্রডিউসার, একুশে টেলিভিশন), মোঃ মিজানুর রহমান দুলাল (সম্পাদক, ইউএনবি নিউজ), এনামুল কবির লিটন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত), অ্যাড. মাসুদ করিম (সম্পাদক, সেফ নিউজ), মোঃ হাসান হাবীব তালুকদার (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক নীল সীমান্ত), মোঃ শাহাআলম খান (সম্পাদক, বিডিনিউজ ৯৯৯), মোঃ ময়নুল ইসলাম (স্টাফ রিপোর্টার, একুশে টিভি; সম্পাদক, দৈনিক সিডর), মোঃ জসিমউদ্দীন কনক (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক কুমিল্লার আলো), মোঃ মামুনুর রশীদ নোমানী (সম্পাদক, দৈনিক শাহানামা বার্তা; বরিশাল ব্যুরো),মোঃ মনিরুজ্জামান (অর্থ সম্পাদক; প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক মুক্তির লড়াই), মেজবাউল আলম মোহন (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক মাতৃভূমির খবর), মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক জনতার দলিল), মোঃ আলমগীর হোসেন (যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক একুশের কণ্ঠ), সৈয়দ নাজমুল ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক শহর ও গ্রাম), মোঃ শাহাজাদা শামস ইবনে শফিক (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক দিগন্ত ধারা), মোঃ মেহেদী হাসান সবুজ (স্টাফ রিপোর্টার, দীপ্ত টিভি), মোঃ ওবাইদুল ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক নিউজ), মোঃ লায়ন হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া (ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, দৈনিক দুর্নীতি), মোঃ মাসুম বিল্লাহ (সম্পাদক, দৈনিক সংগ্রহ বার্তা), মোঃ আনিস (যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক দেশবার্তা), মোঃ ইনুচ আলী (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক সংবাদ আলোচনা), মোঃ নুরউদ্দিন পাটোয়ারী সাগর (সম্পাদক, দৈনিক চট্টগ্রাম), মোঃ ইমদাদুল হক মিলন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক নী ড় বাংলা), আলহাজ্ব মোঃ সোহাগ (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বাংলাদেশ জাতীয় নিউজ), হাজেরাতুন নেছা, আবুল হোসেন বিল্লাল (বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক মুক্তখবর), মোঃ নাসিরউদ্দিন (সম্পাদক, দৈনিক নতুন অর্থনীতি), এম মনির হোসেন (প্রধান সম্পাদক, দৈনিক জনতার বাংলা), মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম (ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, দৈনিক বরগুনা বার্তা), শাহানাজ আলম রুমানা, মোঃ ফরিদ চিশতী, মোঃ শামিম আহম্মেদ, কেএম মোহম্মাদ হোসেন রিজভী, সোহেল রানা, শাহাদাত মোল্লা, জাকির আহম্মেদ জীবন, মাসুদুর রহমান, বাবু ,মোঃ মেহেদী হাসান সবুজসহ দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের অসংখ্য সাংবাদিক ও সম্পাদক।তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সত্য প্রকাশের অধিকারকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অপচেষ্টা।স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য অশনিসংকেতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জনস্বার্থে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করা হলে ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।সাংবাদিক নেতারা বলেন,“যদি সংবাদকর্মীরা নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সমাজে সত্য প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল হোতা সোহেলসহ জড়িত সকল সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”গৈদারটেকে সংঘটিত এই হামলা কেবল কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর আক্রমণ নয়; এটি স্বাধীন গণমাধ্যম, সত্য প্রকাশ এবং জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতার ওপর এক নগ্ন আঘাত। সচেতন মহল মনে করছে, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা আরও বাড়তে পারে।দেশের সাংবাদিক সমাজ এখন প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছে। সকলের প্রত্যাশা—ঘটনার প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এবং সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর