মলিন উদ্দিন মৃধা ও সরোয়ার হোসেন দুইজনই প্রান্তিক কৃষক। অন্যের জমি লীজ নিয়ে দুজনই জীবিকা নির্বাহ করেন। সম্প্রতি একটি ফসলী জমির লীজ গ্রহন ও লাউগাছ রোপণ করাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সরোয়ার হোসেন মলিন মৃধাকে মারপিট ও তাঁর মা মিনা বেগমের ডান হাতের আঙ্গুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। আহত মিনা বেগম উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। মলিন ও অভিযুক্ত সরোয়ার হোসেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বাহাদুর পাড়ার বাসিন্দা। অভিযোগের কপি ও ভুক্তোভোগী জানান, গত রবিবার (৪ জানুয়ারী) সকালে মশিন্দা মৌজার মূলমালিক শাহিন হোসেনের লীজকৃত জমিতে কাজ করছিলেন কৃষক মলিন মৃধা। ওই জমি লীজে আগ্রহী ছিলেন জমি প্রতিবেশী সরোয়ার। হঠাৎ সরোয়ার মলিনকে উদ্দেশ্য করে গালমন্দ শুরু করেন। এতে প্রতিবাদ জানান মলিন। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এরএক পর্যায়ে সরোয়ারের স্ত্রী জেসমিন বেগম যোগদিলে সরোয়ার মলিন মৃধার ডানহাতের মাঝের আঙ্গুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে ভুক্তভোগী মলিন ও তার মা মিনা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ ঘটনায় মলিন মৃধার গুরুদাসপুর থানায় বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী মিনা বেগম জানান,অভিযুক্তরা তার ছেলে মলিন মৃধা,মেয়ে শান্তাকে মারপিট করতে থাকে। ছেলে ও মেয়ের চিৎকারে তিনি এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকেও মারপিট করে কামড়ে তার হাতের আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তিনি দোষীদের বিচার দাবী করেন। অভিযুক্ত সরোয়ার.বলেন, ধস্তাসস্তির একপর্যায়ে কখন কিভাবে মিনা বেগমের হাতের আঙ্গুল কেটে পড়ে গেছে তা আমার জানা নেই। গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার জানান,অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।