নাটোর জেলা প্রতিনিধি.
নাটোরের গুরুদাসপুরে মোবাইল ব্যাংকিং নগদ কর্মী (ডিএসও) স্বাধীন আলীর বিরুদ্ধে এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা অভিযোগ উঠেছে। তিনি বনপাড়া আঞ্চলিক অফিসের কর্মী ও বড়াইগ্রাম উপজেলার জোয়ারী গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে।
জানা যায়-গুরুদাসপুরের নয়াবাজার,ধারাবারিষা এবং বড়াইগ্রামের ভিটাকাজীপুর, শ্রীরামপুর ও মানিকপুর এলাকার ১২ জন নগদ মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রতারনা করে ৫ লাখ ৭১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন বনপাড়া অফিসের কর্মী এসআর স্বাধীন আলী। এ ঘটনায় বুধবার (৭ জানুয়ারী) সকালে নয়া বাজার এলাকায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীগণ ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে টাকা ফেরত ও অভিযুক্ত স্বাধীনের বিচার দাবি জানান। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম থানায় দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী নগদের এজেন্ট আতিকুর রহমান বাবু, সোহেল রানা, আবু তালেব, কাওছার আহম্মেদ, দেলোয়ার হোসেন,মন্তাজ আলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গত ১৮ ডিসেস্বর নগদ ফোন এ্যাকাউন্টে টাকা জমা করার কথা বলে দুই উপজেলার ১২ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা গ্রহন করেন স্বাধীন আলী। বেশ ক’ঘন্টা পেরিয়ে গেলে ফোনে টাকা জমা না হওয়ার কারন জানতে চাইলে সার্ভার জটিলতার কথা বলেন তিনি। এরপর তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ রেখে বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। বিষয়টি বনপাড়া আঞ্চলিক কার্যালয় ও অভিযুক্তের পরিবারে জানানো হলে তারা সুবিচার দেবার কথা বলে সময়ক্ষেপন করেন।
ব্যবসায়ীরা আরো জানান, টাকার অভাবে তারা ব্যবসা পরিচালনা করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এতে ব্যবসায়ীক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন। তারা টাকা ফেরৎ ও প্রতারক স্বাধীনের দৃষ্টান্তমুলক বিচার দাবী করেন।
অভিযুক্ত স্বাধীনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়,বিধায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার বলেন,এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত চলছে,আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।