বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে চারা বিতরণ শেষে নিজ হাতে বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক ঝিনাইগাতীতে ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আয়োজন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ছাতকে বাড়ি ফেরার পথে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ২ টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে এসে হাউসবোট থেকে পড়ে শিশু পর্যটক নিখোঁজের,৪২ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার। রূপগঞ্জে অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন, নগদ অর্থ ও খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ তাহিরপুরে পানিতে পড়ে নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার। । তাহিরপুর সীমান্ত থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিলসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ। মশিউর রহমান (মিল্টন) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত সংযোগ সড়কের অভাবে ঝিনাইগাতীর দিঘীরপাড়ের ৫০ পরিবারের চরম দুর্ভোগ

ডালার পাড়ে বালু খেকোদের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনের নীরবতা

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ১২৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আমির হোসেন_স্টাফ রিপোর্টার,

‎সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীতে চলছে ইজারা বহির্ভূত এলাকা ডালার পাড়ে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর তান্ডবলীলা।
‎প্রশাসনের ব্যর্থতার কারনে নদীর পাড় কাটা বন্ধ করতে এক চাদাঁবাজকে গণধোলাই দিল পাবলিক।
‎জানা যায় যাদুকাটা নদীর বালু খেকো ড্রেজার মাষ্টার বুরহান বাহিনীর প্রধান কেডার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাতেরটেক এলাকার বাসিন্দা  রহমত আলীর ছেলে তাহিরপুর থানার একাধিক  বিভিন্ন মামলার  আসামি  টেবলেট কালা( ইয়াবা কালা)। তিনি যাদুকাটা অধৈত্ব্য মন্দিরের জায়গায় অবৈধ সেবমেশিন ও মিনি ড্রেজার মেশিন দিয়ে পণাঁতিত্ব্যের পাশে ডালার পাড়ে এলাকায়  চাঁদাবাজি ও বালু উত্তোলন করতে পাড় কাটতে গিয়ে  গণধোলাইয়ে শিকার হয়ে আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও জানা যায়  বুরহান উদ্দিনের নেতৃত্বে ইজারা বিহীন যাদু কাটা নদীর ডালার পাড়ের হিন্দু সম্প্রদায়ের জায়গা ও গ্রামবাসী চলাচলের রাস্তার পাশে, পাড় কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রতি নিয়ত লাখ লাখ টাকার বালু। যার ফলে সরকারের ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার উন্নয়নের একমাত্র বিন্নাকুলি, আনন্দ বাজার,লাউরেঘর বাজারের যাতায়াতের রাস্থাটি। শুধু তাই নয় ঐতিহ্যবাহী একমাত্র অধৈত্ব্য মন্দিরের আনুমানিক ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ণ প্রকল্পের বিল্ডিংগুলি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। এই রাস্তা ও মন্দির রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পেপার পত্রিকাসহ টেলিভিশনে একাধিক ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও  জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছেনা এমনটাই জানান স্থানীয়রা। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে নিরীহ দিন মজুর বারকি শ্রমিকদের ধরে জেল জরিমানা করা হলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে বরাবরের মতোই থেকে যাচ্ছে বোরহান বাহিনী ও তার লোকেরা। প্রশাসন কেন বালু খেঁকো ও যাদুকাটা নদীর চিহ্নত চাদাঁবাজ  পরিবেশসহ  প্রায় ১ ডজন মামলার আসামি  বোরহান উদ্দিন ও তার কেডারদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পারছেন না সেটাই এখন ভাবনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে? তবে কি প্রশাসনের যোগ সাজসে চলছে বোরহান বাহিনীর বালু লুঠন? এমনটি ধারণা সাধারণ মানুষের মনে? এ ব্যপারে জেলা প্রশাসকের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‎ তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  সুনজিত কুমার চন্দের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন অবৈধভাবে ইজারা বহির্ভূত এলাকা থেকে যাতে কেউ বালু উত্তোলন করতে নাপারে সেই জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন বলে তিনি জানান।এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মোহাম্মদ জাকির হোসেন (পিপিএম) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের পুলিশ ডিপার্টমেন্টে বালু খেকোঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা চলমান রয়েছে নতুন করে কেউ যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর