বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলা সাহিত্যে উদীয়মান তরুণ কবি মোহাম্মদ রাসেল হাসান এক পুলিশ কর্মকর্তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে অটো রিক্সায় ধাক্কায় আহত  শ্রীবরদীর রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ: মেধা ও মানবসেবার প্রত্যয়ে আইন পেশায় উজ্জ্বল পথচলা চিরচেনা বন্য হাতির আক্রমণ প্রতিরোধে ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের মাঝে জগ লাইট বিতরণ গাজীপুরে ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমি সেবা নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান: টোক ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অনুকরণীয় উদ্যোগ নকলার পাঠাকাটা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার, উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় বাসার গেটেই রক্তাক্ত শিশু, অটোরিকশার ধাক্কায় পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে আহত, ফেসবুকে ক্ষোভ মধ্যনগরে সাংবাদিকসহ ৪৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা,তাহিরপুর-৩৯ জামালগঞ্জ-৫ মধ্যনগর-৪ অনার্স ফাইনাল পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস, শ্রীবরদীর আনিছুর রহমানের মেয়ের কৃতিত্ব

নকলার পাঠাকাটা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার, উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : / ২৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

নকলার পাঠাকাটা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার, উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়

 

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:শেরপুরের নকলা উপজেলার ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার। তিনি ইউনিয়নবাসীর সার্বিক উন্নয়ন, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এ লক্ষ্যে তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন।

প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন শুধু রাস্তা-ঘাট নির্মাণ কিংবা অবকাঠামোগত উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নসহ মানুষের জীবনমানের সামগ্রিক পরিবর্তনই প্রকৃত উন্নয়ন। তাই সুযোগ পেলে তিনি পাঠাকাটা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজকে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। এসব অপরাধ একটি পরিবার, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চান তিনি। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় রাস্তাঘাট সংস্কার ও উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন, কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, বেকার যুবকদের কর্মমুখী করা এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিতে চান।

তিনি বলেন, “আমি মানুষের সেবা করতে চাই। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করব। আমার কাছে ইউনিয়নবাসীর কল্যাণই হবে সবচেয়ে বড় বিষয়।”

এলাকাবাসীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শুনে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। তার ভাষ্য, জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব হলো জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের অধিকার ও প্রয়োজনের কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন বলে জানা গেছে। তিনি সাধারণ ভোটারদের কাছে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করছেন।

তিনি বলেন, পাঠাকাটা ইউনিয়নের উন্নয়নে প্রয়োজন একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। ইউনিয়নের যে সমস্যাগুলো দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে।

প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার আরও বলেন, “আমার কোনো ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি চাই পাঠাকাটা ইউনিয়নের মানুষ শান্তিতে বসবাস করুক, আমাদের সন্তানরা সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠুক এবং তরুণ সমাজ মাদক ও অপরাধমুক্ত থেকে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক। ইউনিয়নবাসী আমাকে যোগ্য মনে করলে তাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করতে চাই।”

এ সময় তিনি আসন্ন ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন। পাশাপাশি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়ায় শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমে পাঠাকাটা ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি শিক্ষা, যোগাযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা ও তরুণদের উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব হবে। নির্বাচনে জনগণের রায়ই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কে হবেন ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের পরবর্তী চেয়ারম্যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর