রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সিংগাইরে ছাত্তার ফাউন্ডেশনের ১৫ লাখ টাকা অনুদান পেল ১৫ টি অসহায় পরিবার সিলেটের জৈন্তাপুরে যুবদল নেতা পরিচয়ে ‘ব্রয়লার সেলিম’ সিন্ডিকেটের দাপট ঐতিহাসিক রাজবাড়ী ও মিনি স্টেডিয়াম ঘিরেও নানা অনিয়মের অভিযোগ। শ্রীবরদীতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জনগণের শাসক নয়, সেবক হতে চাই-চেয়ারম্যান প্রার্থিতার ঘোষণা নাসির মিয়ার। গ্রামের মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক: ডা.জে এম রাসেল হাসানের সাফল্য মানিকগঞ্জে ব্রাজিলকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার ‘খাসি’ জয়! “”ষোলো আনা”” চারঘাটে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান মো: সামসুজ্জামান সামু, কারমাইকেল কলেজ প্রাক্তন শিক্ষার্থী সমিতির অভিনন্দন ​ রূপগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে উৎসবমুখর নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা

১৮ লাখ টাকার চুক্তিতে পুলিশে চাকরি! পরীক্ষাকেন্দ্রে ডিভাইসসহ ধরা খেলো ৫ পরীক্ষার্থী

জিয়াউল ইসলাম জিয়া / ৯৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষা চলাকালে তাদের আটক করা হয়। আটক পরীক্ষার্থীরা হলেন সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে মো. মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে মো. রায়হান হোসেন এবং চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের জহুর আলীর ছেলে মো. শান্ত মিয়া। পুলিশ জানায়, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চলাকালে সন্দেহজনক আচরণের কারণে কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করা হয়।

এ সময় তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে অভিনব কৌশলে লুকানো ডিজিটাল ডিভাইস ও ক্ষুদ্র ইয়ারফোন উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানিয়েছে, জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষা পাস করিয়ে দেওয়ার চুক্তিতে তারা এসব ডিভাইস ব্যবহার করছিল। জানা গেছে, শেরপুর জেলায় বিদ্যমান শূন্যপদ ও কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ কার্যক্রম চলছিল। শনিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আগে প্রার্থীরা শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ অন্যান্য ধাপ সম্পন্ন করেন। পরীক্ষা চলাকালে তল্লাশিতে কারও গেঞ্জির ভেতরে, কারও জুতার মধ্যে বিশেষভাবে লুকানো ডিভাইস পাওয়া যায়।

এছাড়া কানে গোপনে স্থাপন করা ছিল ক্ষুদ্র ইয়ারফোন। এসব ডিভাইস বহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি পোশাকও ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা (প্রশাসন ও অর্থ) বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পরীক্ষার্থীদের লিখিত পরীক্ষার আগে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়।

পরে অভিনব কৌশলে ডিভাইস শরীরে স্থাপন করে তাদের পরীক্ষার হলে পাঠানো হয়। তিনি আরও বলেন, “পুরো চক্রটিকে শনাক্ত করতে কাজ চলছে। আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর