সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে নতুন টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হয়।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের আধুনিক ও উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই নতুন টার্মিনালটি চালু করা হয়েছে। ১৮ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই টার্মিনাল ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। এতে রয়েছে ১৪টি আধুনিক চেক-ইন কাউন্টার, প্রশস্ত বোর্ডিং লাউঞ্জ এবং আধুনিক ব্যাগেজ বেল্ট ব্যবস্থা।
প্রথম দিন নতুন টার্মিনাল ব্যবহার করা যাত্রীরা এর পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর মাসে টার্মিনাল ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এরপরই নতুন এই টার্মিনাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়েছে। ফলে বোয়িং ৭৭৭-এর মতো বড় উড়োজাহাজ ওঠানামার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে কক্সবাজারের সঙ্গে সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে। এতে পর্যটন খাতের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।