সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শান্তিপুর নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে মতবিনিময় সভা। গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ি হাট এলাকায় লিজ নেওয়া খাস পুকুর জোরপূর্বক ভরাটের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা স্বপ্ন থেকে সাফল্য: মুয়াজ্জিনের ছেলে এখন ৪৬ ও ৪৭তম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত মুয়াজ্জিনের ছেলের সাফল্য: নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তা খাইরুল বাশার শ্রীবরদীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছাতকে কেক কেটে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভাতগ্রামের কৃতি সন্তান আসাদুজ্জামান সরকারের অনন্য সাফল্য ৪৫তম বিসিএসে আনসার ও ৪৭তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত গার্মেন্টস শ্রমিকের ছেলে থেকে ৪ বিসিএসে সুপারিশ—এবার প্রশাসন ক্যাডারে মো. ফয়সাল আহমেদের অনন্য সাফল্য

গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ি হাট এলাকায় লিজ নেওয়া খাস পুকুর জোরপূর্বক ভরাটের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

প্রতিবেদকের নাম / ৫৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় চিফ রাজশাহীঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সরকারের কাছ থেকে বৈধভাবে লিজ নেওয়া একটি খাস পুকুর জোরপূর্বক ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং পুকুরের লিজগ্রহীতারা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার ৭ নম্বর দেওপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাজাবাড়ি হাট ডিগ্রি কলেজের উত্তর-পূর্ব পাশে অবস্থিত বিজয়নগর মৌজার (জে.এল. নং-৩৬৫, দাগ নং-১৪১০) ০.২৮ একর আয়তনের খাস পুকুরটি সরকারের কাছ থেকে ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ থেকে ৩০ চৈত্র ১৪৩৫ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত বৈধভাবে লিজ নিয়েছেন মো. বকুল ও মো. হোসেন।

লিজগ্রহীতাদের অভিযোগ, স্থানীয় চার ব্যক্তি, মো. আসলাম, মো.রক্সি, মো. নুহুন নবী ও মো. সাইরুল ইসলাম নিজেদের স্বার্থে পুকুরটি ভরাট করছেন। তাদের দাবি, অভিযুক্তদের পুকুরসংলগ্ন কিছু প্লট রয়েছে। সেখানে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় প্লট বিক্রি বা বসতবাড়ি নির্মাণে সমস্যা হচ্ছে। এ কারণে তারা খাস পুকুরটি ভরাট করে রাস্তা তৈরির চেষ্টা করছেন।

মো. বকুল ও মো. হোসেন বলেন, আমরা সরকারের কাছ থেকে বৈধভাবে পুকুরটি লিজ নিয়েছি। বারবার নিষেধ করার পরও তারা ভরাটের কাজ বন্ধ করেনি। পুকুরটি ভরাট হয়ে গেলে আমাদের আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতি হবে। একই সঙ্গে এটি পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর হবে।

তারা আরও জানান, বিষয়টি জানাতে গোদাগাড়ী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে তাদের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দারা খাস পুকুর সংরক্ষণে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। লিজগ্রহীতারাও জানান, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর