মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় চিফ রাজশাহীঃ
আসন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২৬-কে সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, একটি ভোট শুধু একজন প্রার্থীকে নির্বাচিত করে না, বরং একটি এলাকার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, শান্তি ও সুশাসন নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, ভোটাররা নিজ নিজ এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীদের দীর্ঘদিন ধরেই চেনেন ও জানেন। তাদের ব্যক্তিগত আচরণ, সততা, জনসেবা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা সম্পর্কে ভোটারদের পরিষ্কার ধারণা রয়েছে। তাই ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তি বা দলীয় প্রভাব নয়, বরং যোগ্যতা, সততা ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
তারা বলেন, যে প্রার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, খেলাধুলা, সামাজিক উন্নয়ন, সড়ক-যোগাযোগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন, তাকেই জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা প্রয়োজন।
এছাড়া ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সামান্য অর্থ বা ব্যক্তিগত লাভের আশায় মূল্যবান ভোট বিক্রি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। দুর্নীতি, মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমি ও জলাশয় দখল এবং টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত কিংবা জনস্বার্থে কাজ করার মানসিকতা নেই, এমন কাউকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা উচিত নয়।
সচেতন মহল আরও মনে করে, সৎ, যোগ্য, ন্যায়পরায়ণ, স্বচ্ছ ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী নেতৃত্বই একটি এলাকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে। জনগণ এমন জনপ্রতিনিধি চান, যিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেবেন, বৈষম্যহীনভাবে বিচার করবেন এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন।
তাদের বক্তব্য, একটি ভোটের মূল্য অপরিসীম। তাই প্রতিটি ভোটারকে নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে, যাতে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হয়।
এটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সংবাদধর্মী ভাষায় সাজানো হয়েছে। চাইলে এটিকে আরও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার প্রতিবেদনের ধরনেও সম্পাদনা করে দিতে পারি।