মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া আপন শিক্ষা পরিবারে এসএসসিতে সাফল্য,পাসের হার ৯৩.১০% ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া আপন শিক্ষা পরিবারে এসএসসিতে সাফল্য, পাসের হার ৯৩.১০% ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফলে হতাশা, ঐতিহ্য ফেরাতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান রিয়াদে মুসা সানাইয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে ১৬ জনের মৃত্যু; বাবা পড়েছেন পঞ্চম শ্রেণি, মা দ্বিতীয়—তাদের স্বপ্নের সন্তান আজ ৪৭তম বিসিএসে কাস্টমস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাবা পড়েছেন পঞ্চম শ্রেণি, মা দ্বিতীয়—তাদের স্বপ্নের সন্তান আজ ৪৭তম বিসিএসে কাস্টমস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতে ইসলামের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ হেযবুত তওহীদের মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত বিএনপির

গ্রামের মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক: ডা.জে এম রাসেল হাসানের সাফল্য

প্রতিবেদকের নাম / ৬৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

 

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার  ইন্দিলপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ডা. জে এম রাসেল হাসান ১২ মে ১৯৯৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা:জহুরুল হক,মাতা:নুরজাহান বেগম।

 

 

তিনি মেডিকেল শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে অসাধারণ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। মেধা, পরিশ্রম ও দৃঢ় সংকল্পের সমন্বয়ে তিনি দ্রুত উন্নতির সিঁড়ি বেয়ে উঠছেন।

 

ছাত্রজীবন থেকেই ডা. রাসেল ছিলেন মেধাবী। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে সরকারি বৃত্তি (স্কলারশিপ) লাভ করেন।

 

তিনি ২০১২ সালে শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং ২০১৪ সালে শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

 

এবং এমবিবিএস: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৪-২০১৫ সেশনে কৃত্বিতের সাথে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

 

 

ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন ২০২১ সালে।ইন্টার্নি চলাকালীন সময়ে তিনি ৪১তম এবং ৪২ তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হন।পরবর্তীতে তিনি ইন্টার্নিশিপ শেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ সালে ৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে যোগদান করেন।

 

 

তার প্রথম কর্মস্থল ছিল শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।সেখানে তিনি দায়িত্ব পালনের পর তিনি কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডি-কার্ড কোর্সে যোগ দেন।

 

 

সম্প্রতি তিনি জুন ২০২৬ সালে কার্ডিওলজিতে এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

 

একজন গ্রামীণ মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক হয়ে উঠা এবং অল্প সময়ের মধ্যে কার্ডিওলজির মতো বিশেষায়িত বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রির দিকে এগিয়ে যাওয়া— ডা. জে এম রাসেল হাসানের এই যাত্রা শেরপুরের তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

 

 

তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা অত্যন্ত আনন্দিত। জেলাবাসী তাঁর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল কর্মজীবন কামনা করছেন।

 

 

ডা. জে এম রাসেল হাসানের মতো মেধাবী চিকিৎসকদের হাত ধরে দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত হবে— এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর