শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টেকনাফে রোড শো ও পথনাটকে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধের বার্তা টেকনাফে ৯০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ, কাজী ফরিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি। প্রবাসের মাটিতে চট্টগ্রামের গৌরব, ব্যবসা ও ঐক্যের মঞ্চ ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ যুবকদের স্বাবলম্বী করতে নানিয়ারচর সেনা জোনের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ ঝিনাইগাতীর কৃতী সন্তান জয়নাল আবেদীন জিহান হলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক: এসএসসি-এইচএসসিতে জিপিএ-৫, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি; নিয়োগ পরীক্ষায় উপজেলায় ৭ম গাজিপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ ঢাবি-শাবিপ্রবিতে সুযোগ পেয়েও আইনকে বেছে নেন নাজমুল, ১৮তম বিজেএসে সিভিল জজ: কসবার বিদ্যানগরের কৃতী সন্তান নাজমুল হাসানের প্রথম চাকরিতেই বড় সাফল্য চারঘাট রাওথা কলেজে নবীনবরণ ও সংবর্ধনা মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না মকবুলের, পাশে দাঁড়িয়ে ৪ শতাংশ জমি দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু

তাহিরপুরে ভারতীয় বিড়ি উদ্ধার, অভিযুক্ত কুদ্দুসের খোঁজে পুলিশ

বার্তা সম্পাদক / ৯৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

আমির হোসেনস্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের ফকিরনগর গ্রামে যৌথ অভিযানে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্ত কুদ্দুস মিয়া ওরফে ‘বিড়ি কুদ্দুস’ পালিয়ে যান।

জানা যায়, গ্রামবাসী, মাদক নির্মূল কমিটি, মানিক তাহিরপুর এবং মাদকবিরোধী ঐক্য পরিষদ, তাহিরপুরের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ফকিরনগর গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার (পিতা: শব্দর আলী) বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।

পরে উদ্ধারকৃত ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় বিড়ি বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সজলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযানের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই কুদ্দুস মিয়া পালিয়ে যান।

বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সজল জানান, উদ্ধার হওয়া ভারতীয় বিড়ির ঘটনায় কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে স্থানীয় মাদকবিরোধী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, মাদক ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এবং অবৈধ পণ্যের বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর