শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না মকবুলের, পাশে দাঁড়িয়ে ৪ শতাংশ জমি দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু শ্রীবরদীর কৃতী সন্তান এম. এ হামিদুর রহমান এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে কর্ণঝোড়া দাখিল মাদরাসায় জেনারেল শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত শ্রীবরদীর কৃতী সন্তান এম. এ হামিদুর রহমান এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে কর্ণঝোড়া দাখিল মাদরাসায় জেনারেল শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নকলায় বালিগঞ্জ বাজার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত সার্বিক সহযোগিতা ও সৌজন্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুবাস মিয়া দুলাভাইয়ের পর এবার শ্যালককে ডিলার করার চেষ্টা  রূপগঞ্জের ভায়েলা-মিয়াবাড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করার দাবিতে মানববন্ধন একটি ভবনের বিদায়, কিন্তু বন্ধুত্বের নয় (নটর ডেম কলেজের হ্যারিংটন ভবনকে ঘিরে স্মৃতি, ভালোবাসা ও এক প্রজন্মের নস্টালজিয়া) বাবুল আহমেদকে বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছা। টেকনাফে ওয়ারেন্টভুক্ত রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার

মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না মকবুলের, পাশে দাঁড়িয়ে ৪ শতাংশ জমি দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : / ১৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না মকবুলের, পাশে দাঁড়িয়ে ৪ শতাংশ জমি দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি :মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না অসহায় মকবুল হোসেনের। অন্যের জায়গায় কিংবা নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি। নিজের একটি জায়গা হবে, সেখানে একটি ছোট্ট ঘর তুলে শান্তিতে বসবাস করবেন—এমন স্বপ্নই ছিল তার। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণের পথ তৈরি হয়েছে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায়।

শেরপুরের নকলা উপজেলার জাঙ্গীরার পাড় এলাকার অসহায় মকবুল হোসেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন নকলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু। তাঁর তত্ত্বাবধানে ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় মকবুল হোসেনের জন্য ৪ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে তা তার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়ায় মোবারক হোসেন মিন্টু স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তাঁর উদ্যোগে মকবুল হোসেনের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কিছুটা হলেও দূর হয়েছে। নিজের নামে জায়গা পাওয়ায় এখন সেখানে ঘর তুলে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

দীর্ঘদিন পর নিজের একটি জায়গা পাওয়ায় মকবুল হোসেনের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি। তিনি বলেন, “নিজের একটি জায়গা হবে—এটা আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। এতদিন অন্যের জায়গায় নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটিয়েছি। এখন নিজের নামে জায়গা পেয়েছি। এখানে একটি ঘর তুলে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, বিশেষ করে মোবারক হোসেন মিন্টু ও সহযোগিতাকারী সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

স্থানীয়রা জানান, মোবারক হোসেন মিন্টুর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মকবুল হোসেনের জন্য জায়গা কেনার উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়েছে। অসহায় একজন মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করতে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

এ বিষয়ে মোবারক হোসেন মিন্টু বলেন, সমাজে অনেক অসহায় মানুষ রয়েছেন, যারা ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। মকবুল হোসেনের দীর্ঘদিনের কষ্টের কথা জানতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার জন্য একটি জায়গার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এবং জনপ্রতিনিধি ও জনপ্রতিনিধি পদপ্রার্থীরা যদি অসহায় মানুষের পাশে এভাবে দাঁড়ান, তাহলে সমাজে মানবিকতার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। মকবুল হোসেনের মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করতে মোবারক হোসেন মিন্টুর উদ্যোগ ও স্থানীয়দের সম্মিলিত সহযোগিতা মানবিকতার একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর