প্রায় দেড় যুগ পর আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচন। দীর্ঘ সময় পর এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ভোটের দিন যতই ঘিরিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ও নানা জল্পনা-কল্পনা।
এবারের নির্বাচনে সহ-প্রচার সম্পাদক পদে একজন হেভিওয়েট ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মেসার্স ফারজেনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. এরশাদ মিয়া। ব্যবসায়ী সমাজ ও স্থানীয় মহলে তাঁর সুখ্যাতি এবং জনকল্যাণমূলক কাজের কারণে তাঁর প্রার্থিতা নির্বাচনকে আরও জমজমাট করে তুলেছে।
দীর্ঘ দেড় যুগ পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় কয়লা আমদানিকারক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিতে মুখিয়ে আছেন ভোটাররা। আর এই পরিবর্তনের জোয়ারে সহ-প্রচার সম্পাদক পদে তরুণ ও উদ্যমী মুখ হিসেবে ভোটারদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন এরশাদ মিয়া।
সহ-প্রচার সম্পাদক পদপ্রার্থী মো. এরশাদ মিয়া তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন,”দীর্ঘ দেড় যুগ পর আমাদের এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যা পুরো ব্যবসায়ী মহলে এক আনন্দের বার্তা বয়ে এনেছে। ব্যবসায়ীরা আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিচ্ছেন, তাতে আমি অভিভূত। আমি বিজয়ী হলে তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, গতিশীল ও ব্যবসায়ীবান্ধব করতে এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের কল্যাণে আমার মেধা ও শ্রম নিবেদিত রাখব। ব্যবসায়ীদের সুখে-দুঃখে আমি অতীতেও পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও তাদের আস্থার মর্যাদা রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমি সকলের দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট প্রার্থনা করছি।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এরশাদ মিয়া একজন পরিশ্রমী, সৎ ও ব্যবসায়ী বান্ধব ব্যক্তিত্ব। সুখে-দুঃখে তিনি সবসময় ব্যবসায়ীদের পাশে থাকেন। তাই আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে বিজয়ী করতে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী ১২ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমেই এর সঠিক মূল্যায়ন হবে বলে আশাবাদী তাঁর সমর্থকরা।