বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

“বগুড়ায় হানিট্যাপ কিশোর গ্যাং সক্রিয় চক্র।

প্রতিবেদকের নাম / ৮৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"border":1,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

মোঃ আব্দুল হামিদ শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার:

বগুড়ার কামারগাড়ি এলাকার সরকারি আজিজুল হক কলেজের নতুন ভবন সংলগ্ন এলাকা—বিশেষ করে কামারগাড়ি, জহুরুল নগর এবং কলেজ ক্যাম্পাসের আশপাশে—একটি কিশোর গ্যাং চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন।
এ নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, মোঃ মাসুদ, পিতা আব্দুল গণি, গ্রাম চাঁন্দাইর ফাঁফর গং-এর সদস্যরা কৌশলে কিছু তরুণীকে ব্যবহার করে শিক্ষিত ছাত্র, চাকরিজীবী ও সাধারণ ভদ্র মানুষদের টার্গেট করছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন প্রলোভন ও কৌশলের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায়সহ নানা ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। অনেকেই একে ‘হানি ট্র্যাপ’ প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই চক্রের সদস্যরা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং কৌশলে জিম্মি করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সামাজিক নিরাপত্তা ও শিক্ষার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে বলে তারা মনে করছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং প্রকৃত অপরাধীরা যেন আইনের আওতায় আসে—সেজন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কাম্য।

বিশেষভাবে বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যেন দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয় এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদারেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

সমাজকে নিরাপদ রাখতে হলে আমাদের সকলকে একসঙ্গে সচেতন হতে হবে। সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসুন—আমরা সচেতন থাকি, অন্যকেও সচেতন করি।
নিজে নিরাপদ থাকি, সমাজকে নিরাপদ রাখি।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর