বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চারবারের চেষ্টায় স্বপ্নের বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে জাবেদ হোসেন ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে এএসপি পদে সুপারিশ, সাফল্যের আনন্দে বাবার শূন্যতা দক্ষিণ খড়িবাড়ী তেলীর বাজার যুব সমাজ কর্তৃক আয়োজিত ফুটবল খেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত। ঝিনাইগাতীতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রক্তে কেনা স্বাধীন দেশে স্বৈরাচারের স্থান নেই, ৫ আগস্ট চিরঞ্জীব হোক: কৃষিবিদ আনোয়ার পারভেজ কৃষকের ঘর থেকে চার সরকারি চাকরির সাফল্য: মেধা ও অধ্যবসায়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আবুল কাশেম জ্বালানিতে কারচুপি, লাইসেন্সহীন প্রতিষ্ঠান: ঝিনাইগাতীতে মোবাইল কোর্টের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা তাড়াশে মাদক সেবনের সময় হাতেনাতে আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড বিএম কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মারজান, সম্পাদক অর্ণব চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত “দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল” ট্রাস্টি সিলেট-২ আসনের এমপি লুনা’র সা‌থে বৃটেনে সাক্ষাৎ বিনিময়

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি: উদ্বেগের ছায়া নিম্নাঞ্চলে।

সহকারী বার্তা সম্পাদক মোঃ মনোয়ার হোসেন সেলিম / ৩০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি।

উত্তরের সবুজ পাহাড় থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরী-মহারশির জলরাশি যেন আবারও পরীক্ষা নিচ্ছে ঝিনাইগাতীর স্থিতিস্থাপকতা।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় মহারশি নদীর পানি ক্রমাগত বেড়ে চলছে। ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এখন পর্যন্ত ঝিনাইগাতী বাজারের নিচু অংশে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। রামেরকুড়া, খৈলকুড়া, দিঘিরপাড়সহ আশপাশের নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলোতে পানি বাড়ছে দ্রুত।
মহারশি নদী শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী একটি জলধারা। মাত্র ১৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সর্পিলাকার নদীটি একদিকে যেমন সেচ ও মৎস্য সম্পদের উৎস, অন্যদিকে বর্ষাকালে তার উদ্দাম রূপ স্থানীয়দের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

ভারতের মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের সঙ্গে স্থানীয় বৃষ্টিপাত মিলে এবারও নদীকে ফুলিয়ে তুলেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, “প্রতি বছর এই সময়ে একই ঘটনা ঘটে। বাঁধ মেরামত না হলে, খনন না করলে আমাদের দুর্ভোগ কমবে না।” অনেকেই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে পানি আরও বাড়তে পারে।

এই মুহূর্তে সকলের সতর্কতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। নদীকে বাঁচাতে, নদীর তীরবর্তী এলাকাকে সুরক্ষিত করতে স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজে বের করা দরকার।

মহারশি যেন আবারও শান্ত হয়ে ফিরে আসে তার স্বাভাবিক রূপে — এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর