শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩ নং নলকুড়া ইউনিয়ন তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন তাহিরপুরের টেকেরঘাটে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাঁশখালীতে বন বিভাগের সংরক্ষিত ভূমি উদ্ধার অবৈধ দখলে গড়ে ওঠা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভুরুঙ্গামারীতে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ। তাঁতি দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা মোঃ সোলেমান শেখ। ঝিনাইগাতীতে তীব্র শীতে অসহায় হতদরিদ্র  পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইউএনওর মানবিক সহায়তা! বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাজশাহীতে জেলা যুবদলের দোয়া ও খাবার বিতরণ। সুনামগঞ্জে হোটেল মজুরির বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। মোবাইল ব্যাংকিং ‘নগদ’কর্মী ব্যবসায়ীদের টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেরপুর জেলার প্রধান সমন্বয়কসহ ৩০০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ! 

বগুড়ায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বারবার ক্লোজ হলেও বহাল তবিয়তে এসআই জাহাঙ্গীর: জনমনে প্রশ্ন, কেন নেই বিভাগীয় ব্যবস্থা?

বগুড়া প্রতিনিধিঃ / ১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে তীব্র প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এসআই জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও নিরীহ মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত। টাকা না দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ নিয়ে ইতিপূর্বে একাধিকবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি এলাকাবাসীর। আগেও শেরপুরে বিতর্কিত ভূমিকা, তবুও বগুড়ায় দায়িত্বে কীভাবে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্টের আগেও এসআই জাহাঙ্গীর বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। এমনকি টাকা না পেলে অনেককে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব অনিয়মের কারণে তাকে একাধিকবার ‘ক্লোজ’ (দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার বা সংযুক্তি পরিবর্তন) করা হলেও কিছুদিন পর আবার তিনি দায়িত্বে ফিরে আসেন এবং পূর্বের মতোই কথিত অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন। সামাজিক ভয় ও সম্মানহানির আশঙ্কায় মুখ খুলছেন না ভুক্তভোগীরা তারা বলছেন, সামাজিক সম্মানহানি ও ভয়ভীতির কারণে এতদিন তারা প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাননি। অনেকেই গণমাধ্যমের সামনেও বক্তব্য দিতে অনিচ্ছুক। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তিনি ব্যক্তিগত সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতেন বলেও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন—কোন ক্ষমতার জোরে টিকে আছেন? স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যখন বারবার একই ধরনের অভিযোগ ওঠে এবং সংবাদ প্রকাশের পরও যদি কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে তা পুরো পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাদের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায় হাতে গোনা কয়েকজন বিতর্কিত কর্মকর্তার কারণে পুরো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন হবে। পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এ বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। বগুড়াবাসীর একটাই প্রত্যাশা—অভিযোগের ঊর্ধ্বে উঠে নয়, বরং অভিযোগের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। বারবার বিতর্কে জড়ানো কোনো কর্মকর্তাকে আর দায়িত্বে দেখতে চান না সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর