মোঃসোহরাব হোসেন মুন্সী,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বটিয়াঘাটা সুরখালি ইউনিয়ানের বুনোরাবাদে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের ৯জন আহত হয়েছে। জানা যায়,ঘটনার দুই দিন আগে ইফতারির গ্লাস নিয়ে ঐ এলাকার ইয়াছিন শেখ ও জমাত শেখের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়।পরে শুক্রবার সন্ধায় জমাত শেখ ও ইয়াছিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। এলাকাবাসি বিষয়টি মিমাংসা করেন।শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে একই বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারো সংঘর্ষ হলে জমাত শেখ গংদের মধ্যে মোট ৬ জন গুরুতর আহত হয়। এর মধ্যে ৩ জন বিএনপির ও ৩ জন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক।আহতরা হলেন, জমাত শিকদার (৫০),পিতা- মৃত মোবারক শিকদার,
আব্দুল মজিদ শেখ (৭০)পিতা মৃত শমসের আলী,
রেজাউল শেখ (৬০) পিতা মৃত শহর আলী,
মোহাম্মদ নজরুল শেখ পিতা মৃত নুর আলী শেখ
কামরুল শিকদার পিতা মৃত মোবারেক শিকদার
মারুফ শেখ( ৪৫) পিতা আব্দুল মজিদ।অন্যদিকে ইয়াসিন গংদের মধ্যে ৩ জন আহত হয়।আহতরা হলেন,ইয়াসিন শেখ (৩০)পিতা ইদ্রিস আলী শেখ,
জুনায়েদ শেখ (৪০)পিতা জামাল শেখ এজাজ শেখ(৩২) পিতা সামাদ শেখ।এবিষয় নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।এদিকে জমাত শেখ গংদের খোজ খবর নিতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর খুলনা জেলা আমির মাওলানা ইমরান হোসাইন, খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান,বটিয়াঘাটা উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা আবু ইউসুফ,নায়েবে আমির মাওলানা আশরাফ আলী, সেক্রেটার ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাই,বাইতুল মাল সম্পাদক আব্দুল কাদের গাজী,সহ আরো অনেক নেতা কর্মী।এ ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ হয়নি।ভুক্তভোগী মজিদ শেখ জানান,জমাত শিকদার কে মারার বিষয় নিয়ে আমরা কয়জনে বসি এর মধ্যে ইয়াছিন হুমায়ূন গং এলো পাতাড়ি ভাবে আমাদের উপর হামলা করে।অন্যদিকে ইয়াছিন গংদের পক্ষ থেকে জানান, আমরা তারাবি নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে জমাত গং আমাদের উপর হামলা করে।এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।