মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া আপন শিক্ষা পরিবারে এসএসসিতে সাফল্য,পাসের হার ৯৩.১০% ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া আপন শিক্ষা পরিবারে এসএসসিতে সাফল্য, পাসের হার ৯৩.১০% ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফলে হতাশা, ঐতিহ্য ফেরাতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান রিয়াদে মুসা সানাইয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে ১৬ জনের মৃত্যু; বাবা পড়েছেন পঞ্চম শ্রেণি, মা দ্বিতীয়—তাদের স্বপ্নের সন্তান আজ ৪৭তম বিসিএসে কাস্টমস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাবা পড়েছেন পঞ্চম শ্রেণি, মা দ্বিতীয়—তাদের স্বপ্নের সন্তান আজ ৪৭তম বিসিএসে কাস্টমস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতে ইসলামের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ হেযবুত তওহীদের মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত বিএনপির

সিংগাইরে ছাত্তার ফাউন্ডেশনের ১৫ লাখ টাকা অনুদান পেল ১৫ টি অসহায় পরিবার

প্রতিবেদকের নাম / ১২৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

রুহুল আমিন জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ।

এমএ ছাত্তার খান একজন নিরহঙ্কারী মানবিক মানুষ। পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি ছাত্তার মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর গ্রামে। তিনি সব সময় স্বপ্ন দেখেন হানাহানি, ঘুষ-দুর্ণীতি মুক্ত সুখী-সুন্দর সমাজ গড়ার। এলক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে তিনি শিক্ষা, সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজের অসহায় দুস্থ মানুষকে আর্থিক সহযোগীতা করে আসছেন। প্রতি বছরই সুবিধাবঞ্চিত অসহায় অবহেলিত জনগোষ্ঠির মুখে হাসি ফোটাতে কোটি কোটি টাকা দান অনুদান করে আসছেন। এবং দান অনুদান দেন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে।
এরই অংশ হিসেবে তাঁর অর্থায়নে পরিচালিত ছাত্তার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিজ এলাকার ১৫ জন ভূমিহীন, অসহায়, দুঃস্থ এবং জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। গতকাল শনিবার বিকেলে এসব অসহায় মানুষের হাতে এক লাখ টাকা করে মোট ১৫ লাখ টাকা তুলেদেন ছাত্তার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এমএ ছাত্তার খান।
অনুদান প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের চন্দননগর গ্রামের দিলবার খা, মনোয়ারা বেগম, কদর জান, মজিরন বেগম, রোকসানা বেগম, সীমা আক্তার, আনোয়ারা বেগম, তারাজান বিবি, সায়েস্তা ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের মোঃ ইসরাফিল, রাবিয়া আক্তার, শ্যামনগর গ্রামের শাহিনুর রহমান, সায়েস্তা গ্রামের জাহানারা বেগম, রাধে শ্যাম, আলী নগর গ্রামের আছিয়া খাতুন ও ভুমদক্ষিণ গ্রামের লিপি আক্তার। তাদের প্রত্যেককে ১ এক লাখ টাকা করে দেওয়া হয়।
এসময় গোল্ডেন টাচ সংসদের সভাপতি মিজানুর রহমান মিরু ও জামির্তা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য নজর আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মিজানুর রহমান মিরু বলেন, এমএ ছাত্তার খান একজন নিরাহঙ্কারী ও উদার মনের মানুষ। তাঁর নেশা সমাজ সেবা আর অবহেলিত জনগোষ্ঠির মুখে হাসি ফোটানো। দুর্ঘটনায় আহত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের কথা শুনলে হাহাকার করে ওঠে তার মন। সময় পেলেই শহরের বিলাসী জীবন ছেড়ে চলে আসেন নিজ এলাকায়। খোজ খবর নেন এলাকার মানুষের। সাহায্য সহযোগীতা করেন দারিদ্রপীড়িত ও দুর্গত মানুষদের। এছাড়া অর্থ সংকটে চিকিৎসা হচ্ছেনা, আবার কেউ টাকার জন্য তার প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে পারছেনা এমন সমস্যা নিয়ে তার কাছে এসে আজ পর্যন্ত কেউ খালি হাতে ফেরেননি।
এমএ ছাত্তার খান বলেন, ব্যবসার উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা করা নয়, মানবকল্যাণও। আর্তমানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করলে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, তা অন্য কিছুতে পাওয়া যায় না। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর দু:খ-কষ্ট শুনলে আমার মনে পীড়া দেয়। এই উপলব্ধি থেকে চেষ্টা করি মানুষকে উপকার করার। তা ছাড়া মানুষ হিসেবে এটা আমার সামাজিক কর্তব্যও। কারও জন্য কিছু করতে পারি তাহলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। এসব কাজের মাধ্যমে একদিকে মহান আল্লাহ খুশি হন, অন্যদিকে মানুষও উপকৃত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর