মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হাওর পাড়ের শিক্ষার্থীদের কথা বললেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তাহিরপুরে নদী পথে বিআইডব্লিউটি ও টুল টেক্সের নামে অতিরিক্ত চাদাঁবাজি বন্ধের নির্দিষ্টকালের নৌ ধর্মঘটের ডাক। যুক্তরাজ্যে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান আয়োজন ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি  সুনামগঞ্জে গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক। সুনামগঞ্জের শাল্লা থেকে বিট্রিশ আমলের লোহার পিলার(মেগনেট) উদ্ধার। মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বানারীপাড়ায় উত্তেজনা, থানার সামনে বিক্ষোভ আধখানা চিঠি বেঁধে দিও আসতে উদাসীন হলে” – নাঈমুর রহমান রাকিব  রিয়াদে এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রবাস বিনোদন; গোদাগাড়ীতে চেয়ারম্যান সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদক, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, গ্রেফতারের দাবি

সিংগাইরে ছাত্তার ফাউন্ডেশনের ১৫ লাখ টাকা অনুদান পেল ১৫ টি অসহায় পরিবার

প্রতিবেদকের নাম / ১১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

রুহুল আমিন জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ।

এমএ ছাত্তার খান একজন নিরহঙ্কারী মানবিক মানুষ। পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি ছাত্তার মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর গ্রামে। তিনি সব সময় স্বপ্ন দেখেন হানাহানি, ঘুষ-দুর্ণীতি মুক্ত সুখী-সুন্দর সমাজ গড়ার। এলক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে তিনি শিক্ষা, সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজের অসহায় দুস্থ মানুষকে আর্থিক সহযোগীতা করে আসছেন। প্রতি বছরই সুবিধাবঞ্চিত অসহায় অবহেলিত জনগোষ্ঠির মুখে হাসি ফোটাতে কোটি কোটি টাকা দান অনুদান করে আসছেন। এবং দান অনুদান দেন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে।
এরই অংশ হিসেবে তাঁর অর্থায়নে পরিচালিত ছাত্তার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিজ এলাকার ১৫ জন ভূমিহীন, অসহায়, দুঃস্থ এবং জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। গতকাল শনিবার বিকেলে এসব অসহায় মানুষের হাতে এক লাখ টাকা করে মোট ১৫ লাখ টাকা তুলেদেন ছাত্তার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এমএ ছাত্তার খান।
অনুদান প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের চন্দননগর গ্রামের দিলবার খা, মনোয়ারা বেগম, কদর জান, মজিরন বেগম, রোকসানা বেগম, সীমা আক্তার, আনোয়ারা বেগম, তারাজান বিবি, সায়েস্তা ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের মোঃ ইসরাফিল, রাবিয়া আক্তার, শ্যামনগর গ্রামের শাহিনুর রহমান, সায়েস্তা গ্রামের জাহানারা বেগম, রাধে শ্যাম, আলী নগর গ্রামের আছিয়া খাতুন ও ভুমদক্ষিণ গ্রামের লিপি আক্তার। তাদের প্রত্যেককে ১ এক লাখ টাকা করে দেওয়া হয়।
এসময় গোল্ডেন টাচ সংসদের সভাপতি মিজানুর রহমান মিরু ও জামির্তা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য নজর আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মিজানুর রহমান মিরু বলেন, এমএ ছাত্তার খান একজন নিরাহঙ্কারী ও উদার মনের মানুষ। তাঁর নেশা সমাজ সেবা আর অবহেলিত জনগোষ্ঠির মুখে হাসি ফোটানো। দুর্ঘটনায় আহত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের কথা শুনলে হাহাকার করে ওঠে তার মন। সময় পেলেই শহরের বিলাসী জীবন ছেড়ে চলে আসেন নিজ এলাকায়। খোজ খবর নেন এলাকার মানুষের। সাহায্য সহযোগীতা করেন দারিদ্রপীড়িত ও দুর্গত মানুষদের। এছাড়া অর্থ সংকটে চিকিৎসা হচ্ছেনা, আবার কেউ টাকার জন্য তার প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে পারছেনা এমন সমস্যা নিয়ে তার কাছে এসে আজ পর্যন্ত কেউ খালি হাতে ফেরেননি।
এমএ ছাত্তার খান বলেন, ব্যবসার উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা করা নয়, মানবকল্যাণও। আর্তমানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করলে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, তা অন্য কিছুতে পাওয়া যায় না। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর দু:খ-কষ্ট শুনলে আমার মনে পীড়া দেয়। এই উপলব্ধি থেকে চেষ্টা করি মানুষকে উপকার করার। তা ছাড়া মানুষ হিসেবে এটা আমার সামাজিক কর্তব্যও। কারও জন্য কিছু করতে পারি তাহলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। এসব কাজের মাধ্যমে একদিকে মহান আল্লাহ খুশি হন, অন্যদিকে মানুষও উপকৃত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর