মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রথম বিসিএসে তথ্য ক্যাডার, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৪৭তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে ৩৫তম—ঢাবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর অনন্য সাফল্য মরা চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: হুমকিতে জনপদ, দ্রুত ব্যবস্থা চাইলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হক প্রথম বিসিএসেই ৪৭তম পশুসম্পদ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত: নওগাঁর মাহবুবুর আলমের অনন্য সাফল্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ হয়নি, কোচিংও করেননি—দিনে চাকরি, রাতে পড়াশোনা; প্রথম চেষ্টাতেই ৪৬তম বিসিএসে আনসার ক্যাডার মুনএমের অনন্য সাফল্য দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, অবশেষে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) প্রথম বিসিএসেই স্বাস্থ্য ক্যাডার: মানুষের সেবার স্বপ্ন পূরণ করলেন ডা. তানজিয়া সাইফুল তৃপ্তি

সিংগাইরে ছাত্তার ফাউন্ডেশনের ১৫ লাখ টাকা অনুদান পেল ১৫ টি অসহায় পরিবার

প্রতিবেদকের নাম / ১০২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

রুহুল আমিন জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ।

এমএ ছাত্তার খান একজন নিরহঙ্কারী মানবিক মানুষ। পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি ছাত্তার মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর গ্রামে। তিনি সব সময় স্বপ্ন দেখেন হানাহানি, ঘুষ-দুর্ণীতি মুক্ত সুখী-সুন্দর সমাজ গড়ার। এলক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে তিনি শিক্ষা, সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজের অসহায় দুস্থ মানুষকে আর্থিক সহযোগীতা করে আসছেন। প্রতি বছরই সুবিধাবঞ্চিত অসহায় অবহেলিত জনগোষ্ঠির মুখে হাসি ফোটাতে কোটি কোটি টাকা দান অনুদান করে আসছেন। এবং দান অনুদান দেন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে।
এরই অংশ হিসেবে তাঁর অর্থায়নে পরিচালিত ছাত্তার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিজ এলাকার ১৫ জন ভূমিহীন, অসহায়, দুঃস্থ এবং জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। গতকাল শনিবার বিকেলে এসব অসহায় মানুষের হাতে এক লাখ টাকা করে মোট ১৫ লাখ টাকা তুলেদেন ছাত্তার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এমএ ছাত্তার খান।
অনুদান প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের চন্দননগর গ্রামের দিলবার খা, মনোয়ারা বেগম, কদর জান, মজিরন বেগম, রোকসানা বেগম, সীমা আক্তার, আনোয়ারা বেগম, তারাজান বিবি, সায়েস্তা ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের মোঃ ইসরাফিল, রাবিয়া আক্তার, শ্যামনগর গ্রামের শাহিনুর রহমান, সায়েস্তা গ্রামের জাহানারা বেগম, রাধে শ্যাম, আলী নগর গ্রামের আছিয়া খাতুন ও ভুমদক্ষিণ গ্রামের লিপি আক্তার। তাদের প্রত্যেককে ১ এক লাখ টাকা করে দেওয়া হয়।
এসময় গোল্ডেন টাচ সংসদের সভাপতি মিজানুর রহমান মিরু ও জামির্তা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য নজর আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মিজানুর রহমান মিরু বলেন, এমএ ছাত্তার খান একজন নিরাহঙ্কারী ও উদার মনের মানুষ। তাঁর নেশা সমাজ সেবা আর অবহেলিত জনগোষ্ঠির মুখে হাসি ফোটানো। দুর্ঘটনায় আহত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের কথা শুনলে হাহাকার করে ওঠে তার মন। সময় পেলেই শহরের বিলাসী জীবন ছেড়ে চলে আসেন নিজ এলাকায়। খোজ খবর নেন এলাকার মানুষের। সাহায্য সহযোগীতা করেন দারিদ্রপীড়িত ও দুর্গত মানুষদের। এছাড়া অর্থ সংকটে চিকিৎসা হচ্ছেনা, আবার কেউ টাকার জন্য তার প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে পারছেনা এমন সমস্যা নিয়ে তার কাছে এসে আজ পর্যন্ত কেউ খালি হাতে ফেরেননি।
এমএ ছাত্তার খান বলেন, ব্যবসার উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা করা নয়, মানবকল্যাণও। আর্তমানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করলে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, তা অন্য কিছুতে পাওয়া যায় না। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর দু:খ-কষ্ট শুনলে আমার মনে পীড়া দেয়। এই উপলব্ধি থেকে চেষ্টা করি মানুষকে উপকার করার। তা ছাড়া মানুষ হিসেবে এটা আমার সামাজিক কর্তব্যও। কারও জন্য কিছু করতে পারি তাহলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। এসব কাজের মাধ্যমে একদিকে মহান আল্লাহ খুশি হন, অন্যদিকে মানুষও উপকৃত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Recent Posts

Recent Comments

No comments to show.