মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রথম বিসিএসে তথ্য ক্যাডার, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৪৭তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে ৩৫তম—ঢাবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর অনন্য সাফল্য মরা চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: হুমকিতে জনপদ, দ্রুত ব্যবস্থা চাইলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হক প্রথম বিসিএসেই ৪৭তম পশুসম্পদ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত: নওগাঁর মাহবুবুর আলমের অনন্য সাফল্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ হয়নি, কোচিংও করেননি—দিনে চাকরি, রাতে পড়াশোনা; প্রথম চেষ্টাতেই ৪৬তম বিসিএসে আনসার ক্যাডার মুনএমের অনন্য সাফল্য দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, অবশেষে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) প্রথম বিসিএসেই স্বাস্থ্য ক্যাডার: মানুষের সেবার স্বপ্ন পূরণ করলেন ডা. তানজিয়া সাইফুল তৃপ্তি

অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহৎ ‘শব্দীগঞ্জ ঈদগাহ ময়দান’: নদী পেরিয়ে নামাজে আসেন মুসল্লিরা

তরিকুল ইসলাম, সহকারী বার্তা সম্পাদক / ৭৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিনিধি:
​উত্তরাঞ্চলের ধর্মীয় ঐতিহ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র নীলফামারীর ডোমার উপজেলার শব্দীগঞ্জ ঈদগাহ ময়দান। আয়তনের দিক থেকে এটি উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার জামাতে এখানে লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটে এখানে। তবে বিশাল এই জমায়েত আর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য থাকলেও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত এই ময়দানটি।

বুড়ি তিস্তা নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত এই ঈদগাহে নীলফামারীর ডোমার ছাড়াও পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি জামাতের মানুষ নামাজ আদায় করতে আসেন। কিন্তু বিড়ম্বনার বিষয় হলো, বুড়ি তিস্তা নদীতে কোনো সেতু বা ব্রিজ নেই। ফলে প্রতি ঈদে বড়শশী ইউনিয়নবাসীকে পায়ে হেঁটে নদীর পানি ও কাদা ডিঙিয়ে অত্যন্ত কষ্ট করে নামাজ পড়তে আসতে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদগাহ ময়দানের চারপাশের অধিকাংশ রাস্তা এখনও কাঁচা। বৃষ্টির দিনে এই রাস্তাগুলো কর্দমাক্ত এবং অন্যান্য সময় ধূলোয় আছন্ন হয়ে পড়ায় মুসল্লিদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। ঐতিহ্যবাহী এই ময়দানকে ঘিরে যে ধরনের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন ছিল, বাস্তবে তার ছিটেফোঁটাও নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হওয়া সত্ত্বেও আজ অবধি এই ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়নে কোনো উল্লেখযোগ্য সরকারি অনুদান পাওয়া যায়নি। প্রচারের অভাব এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে না আসায় ময়দানটি অবহেলিত রয়ে গেছে বলে মনে করছেন ঈদগাহে আসা মুসুল্লিসহ স্থানীয়রা।

​এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জানান, প্রচারের অভাবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব হয়নি। অথচ সামান্য সরকারি সহযোগিতা পেলে এটি দেশের অন্যতম মডেল ঈদগাহে পরিণত হতে পারে। ঈদগাহ ময়দানের ইমাম ও কমিটির সদস্যদের দাবি, প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম সামাল দিতে তাদের হিমশিম খেতে হয়। যাতায়াত ব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য তারা সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করছেন। বিশেষ করে বুড়ি তিস্তা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ এবং রাস্তাগুলো পাকাকরণ এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
​উত্তরাঞ্চলের এই বৃহৎ ধর্মীয় জমায়েতকে সুশৃঙ্খল ও আধুনিক রূপ দিতে সরকার অতিদ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Recent Posts

Recent Comments

No comments to show.