সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলোকবিন্দু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন ঝিনাইগাতীতে ‘রক্ত দিন, জীবন বাঁচান’ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উদ্বোধন রিয়াদে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ আজিমুশশান মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত; নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ডিসি-এসপির কাছে মানবাধিকারকর্মী আরমানের স্মারকলিপি স্মৃতির ধুলো চট্টগ্রামে জমকালো আয়োজনে NEW N.K CAR CENTER-এর উদ্বোধন ফাহিম চৌধুরী সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়ায় মোবারক হোসেন মিন্টুর নেতৃত্বে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ঝিনাইগাতীতে অবৈধ পলিথিনবিরোধী অভিযান, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

জননী: পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নিঃস্বার্থ দহন

প্রতিবেদকের নাম / ১৫০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

আল হেদায়েতুল্লা (সুজন):

মা—সাড়ে তিন অক্ষরের এই শব্দটির ভেতরেই লুকানো থাকে একটি মহাবিশ্ব। যার মা আছে, তার পৃথিবী আছে; আর যার মা নেই, সে ভরা পূর্ণিমাতেও অমাবস্যার অন্ধকার দেখে। মা মানে শুধু একজন জন্মদাত্রী নন, মা মানে এক জীবন্ত ত্যাগ, যিনি নিজের অস্তিত্বকে পুড়িয়ে সন্তানের জীবনকে আলোকিত করেন।

​পৃথিবীর সব সম্পর্ক কোনো না কোনো স্বার্থের সুতোয় গাঁথা থাকে, কিন্তু মায়ের ভালোবাসা সেই চিরন্তন নিয়মের ঊর্ধ্বে। এক ফোঁটা রক্ত থেকে শুরু করে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মা কেবল দিয়েই যান, বিনিময়ে কিছুই চান না। অথচ আজ আমাদের যান্ত্রিক সভ্যতায় সেই মায়েরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। যে মা দশ মাস দশ দিন জঠরে ধারণ করে আগুনের দহন সহ্য করেছেন, আধুনিক এই সমাজ আজ তাকেই বৃদ্ধাশ্রমের চার দেয়ালে নির্বাসন দিচ্ছে। এর চেয়ে বড় কলঙ্ক আর কী হতে পারে?

​মায়ের মাহাত্ম্য নিয়ে যুগে যুগে মনিষীরা আমাদের চোখ খুলে দিতে চেয়েছেন। বিখ্যাত মনীষী আব্রাহাম লিংকন বলেছিলেন:

​”আমি যা হয়েছি বা যা হওয়ার আশা করি, তার জন্য আমি আমার দেবীতুল্য মায়ের কাছে ঋণী।”

​লিংকন তার সাফল্যের চূড়ায় বসেও বুঝতে পেরেছিলেন, ভিত্তিটা গড়ে দিয়েছিলেন তার মা। আবার ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেছিলেন:​”আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি দেব।”

​নেপোলিয়নের এই উক্তি কেবল শিক্ষার কথা বলে না, বরং একটি জাতির মেরুদণ্ড গড়ার কারিগর হিসেবে মায়ের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

​আসলে মা দিবসে কেবল লোকদেখানো ফুল বা উপহারের কোনো মূল্য নেই, যদি না আমরা মায়ের চোখের ভাষা পড়তে পারি। মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত—এই পরম সত্যটি আমরা যেন ভুলে না যাই। মা দিবসের এই ক্ষণে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত, পৃথিবীর কোনো মা যেন সন্তানের অবহেলায় চোখের পানি না ফেলেন। মা বেঁচে থাক প্রতিটি সন্তানের হৃদয়ে, আজীবন, আমৃত্যু।

​শুভ মা দিবস! পৃথিবীর সকল গর্ভধারিণী মায়েদের চরণে বিনম্র শ্রদ্ধা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর