মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া আপন শিক্ষা পরিবারে এসএসসিতে সাফল্য,পাসের হার ৯৩.১০% ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া আপন শিক্ষা পরিবারে এসএসসিতে সাফল্য, পাসের হার ৯৩.১০% ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফলে হতাশা, ঐতিহ্য ফেরাতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান রিয়াদে মুসা সানাইয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে ১৬ জনের মৃত্যু; বাবা পড়েছেন পঞ্চম শ্রেণি, মা দ্বিতীয়—তাদের স্বপ্নের সন্তান আজ ৪৭তম বিসিএসে কাস্টমস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাবা পড়েছেন পঞ্চম শ্রেণি, মা দ্বিতীয়—তাদের স্বপ্নের সন্তান আজ ৪৭তম বিসিএসে কাস্টমস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতে ইসলামের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ হেযবুত তওহীদের মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত বিএনপির

বাঁশখালীতে খোদালা খাল আংশিক খনন: পানিবন্দী কৃষিজমি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র

প্রতিবেদকের নাম / ৭২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

 

 

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি 

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের গুনাগরী এলাকায় খোদালা খাল আংশিক খননের কারণে স্থানীয় কৃষকদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। খালটির অর্ধেক অংশ খনন করে বাকি অংশ ফেলে রাখায় পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং পাহাড়ি ঢলের পানি আশপাশের ফসলি জমিতে ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুনাগরী মাঈশা ক্লাব এলাকা থেকে মরহুম আসহাব উদ্দীন সড়কের পাশ ঘেঁষে মোশাররফ আলী মিয়ার বাজার পর্যন্ত খালটির একাংশ খনন করা হলেও অবশিষ্ট অংশ এখনো খনন করা হয়নি। ফলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জামশেদুল আলম বলেন,

“খোদালা খাল আংশিক খননের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কৃষকদের দুর্ভোগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে খালের অবশিষ্ট অংশ খননের মাধ্যমে পানি চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসন সবসময় আন্তরিক। আশা করছি, দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে কৃষকদের ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।”

অন্যদিকে, কালীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন,

“খালটি আংশিক খনন করায় মূল সমস্যার সমাধান হয়নি, বরং নতুন করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমে হাজার হাজার কৃষকের ফসলি জমি পানিতে ডুবে যায়। আমরা বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, “খালটির অবশিষ্ট অংশ দ্রুত খনন করা হলে পানি সহজে প্রবাহিত হবে এবং কৃষকদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।”

স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার কারণে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ধানসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত খাল খননের কাজ সম্পন্ন না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

এদিকে, এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে খোদালা খালের পূর্ণাঙ্গ খননের মাধ্যমে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়ে কৃষিজমি রক্ষা পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর