শাহ লাভলী রহমান: প্রতিদিনের মতো আজও সকালে ঘুম ভাঙতেই অভ্যাসবশত সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলাম। আর সেখানেই চোখ আটকে গেল এক নির্মম ঘটনায়। মুহূর্তেই থমকে গেলাম। প্রতিদিন এমন দৃশ্য দেখতে দেখতে আজ আর নীরব থাকতে পারলাম না। আর কত মানুষ এভাবে নির্মমতার শিকার হবে? সে যে-ই হোক, যে পরিচয়েরই হোক, শেষ পর্যন্ত তো সে একজন মানুষ। বারবার মনে হচ্ছে ‘আমরা কি শুধু মানুষ হয়ে জন্মেছি, নাকি মানুষ হওয়ার শিক্ষাটুকুও ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি?’
একজন মানুষ চুল কাটাতে সেলুনে গিয়েছিলেন। হয়তো কয়েক মিনিট পর বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে দুপুরের খাবার খাবেন এমনই ছিল স্বাভাবিক একটি দিনের হিসাব। কিন্তু সেই স্বাভাবিকতার মাঝখানেই ঢুকে পড়ল সহিংসতা। গুলি, ধারালো অস্ত্র, রক্ত তারপর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একটি জীবনের সমাপ্তি। কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে ১৫ সেপ্টেম্বর ফরহাদ হোসেন নামে এক যুবককে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণের পর হত্যার খবর আমাদের সামনে আবারও সেই পুরোনো প্রশ্নটি এনে দাঁড় করিয়েছে মানুষ মানুষকে এত সহজে হত্যা করতে শেখে কীভাবে? সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে পূর্ববিরোধ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে; তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং কারা জড়িত, তা তদন্তেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হওয়ার কথা। (সূত্র: NTV Bangladesh) কিন্তু একটি বিষয় তদন্তের অপেক্ষা রাখে না একজন মানুষ আর বেঁচে নেই। তার একটি নাম ছিল, একটি পরিবার ছিল, তার জন্য কেউ অপেক্ষা করত কিংবা তার হয়তো অসমাপ্ত স্বপ্ন ছিল। একটি চাপাতির কোপে কিংবা একটি গুলিতে শুধু একজন মানুষ মারা যায় না; একটি পরিবারের ভবিষ্যতেরও একটি অংশ হঠাৎ অন্ধকার হয়ে যায়। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা নয়; ভয়ংকর হলো হত্যার দৃশ্যের সঙ্গে আমাদের মনস্তত্ত্বাত্বিকভাবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে রক্ত যেন এখন আর আমাদের চমকে দেয় না!
সোস্যাল মিডিয়া (ফেসবুক) খুললেই কখনো দেখা যায় রাস্তার মধ্যে কোপাকোপি, কখনো দোকানের সামনে সংঘর্ষ, কখনো প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া। ভিডিও ধারণ হচ্ছে, মানুষ দাঁড়িয়ে দেখছে, কেউ মোবাইল বের করছে, কেউ মন্তব্য করছে, কেউ আবার রক্তাক্ত দৃশ্যটিকে কয়েক সেকেন্ডের ‘কনটেন্ট’ হিসেবে ছড়িয়ে দিচ্ছে। আমরা যেন এমন এক সময়ে প্রবেশ করেছি, যেখানে মানুষের মৃত্যু কখনো কখনো মানুষের বিবেককে নাড়া দেওয়ার বদলে মানুষের কৌতূহল বাড়ায়। এখানেই সভ্যতার সবচেয়ে ভয়ংকর পরাজয়। একজন মানুষকে হত্যা করার আগে যদি হত্যাকারীর হাতে অস্ত্র থাকে, তার চেয়েও ভয়ংকর হলো তার ভেতর থেকে যদি হত্যার ভয় চলে যায়। আইনের ভয় নয় শুধু; মানুষের প্রতি মানুষের মমতার ভয়।
পুলিশ সদর দপ্তরের প্রকাশিত অপরাধ-পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ২,০৭৬টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। একই সময়ে ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ১,৯৪৭। অর্থাৎ ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে নথিভুক্ত হত্যা মামলার সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২৯টি বেশি। (সূত্র: Prothom Alo) এই সংখ্যা শুনে আতঙ্কিত হওয়ার আগে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি মামলার সংখ্যা এবং ওই সময়ে সংঘটিত হত্যার প্রকৃত সংখ্যা এক জিনিস নয়। মামলা নথিভুক্তির সময়, পুরোনো ঘটনার মামলা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় পরিসংখ্যানে প্রভাব ফেলতে পারে। পুলিশও অপরাধের প্রবণতা বিশ্লেষণে এই সীমাবদ্ধতার কথা বলেছে। (সূত্র: Daily Sun) তারপরও সংখ্যাগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখায় হত্যা কোন বিচ্ছিন্ন, বিরল ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ২০২৫ সালে সারা দেশে ৩,৭৮৫টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল বলে পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে; ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩,৪৩২। (সূত্র: Daily Sun) অর্থাৎ প্রশ্নটি কেবল আজ কোথায় একজনকে হত্যা করা হলো? তা নয়। প্রশ্নটি হলো…
কেন আমাদের সমাজে মানুষের জীবন এত সহজে সংঘর্ষের মুদ্রায় পরিণত হচ্ছে? মানুষ কি পশুর চেয়েও অধম?
আমরা প্রায়ই বলি মানুষ ‘আশরাফুল মাখলুকাত’, সৃষ্টির সেরা জীব। কিন্তু মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব কোথায়?
তার হাতে বন্দুক আছে বলে?
সে অন্যকে পরাজিত করতে পারে বলে?
সে প্রতিপক্ষকে মাটিতে ফেলে দিতে পারে বলে?
না। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তার বিবেকে। একটি প্রাণী ক্ষুধার কারণে অন্য প্রাণীকে আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু মানুষ প্রতিশোধের জন্য পরিকল্পনা করে, অপমানের হিসাব রাখে, দল গঠন করে, অস্ত্র সংগ্রহ করে এবং কখনো কখনো একটি মানুষকে ‘শত্রু’ হিসেবে এমনভাবে দেখতে শেখে যে তার জীবন আর জীবনের মতো মনে হয় না। এটাই মানুষের সবচেয়ে ভয়ংকর পতন। কারণ হত্যা করার আগে মানুষকে প্রথমে তার ভেতর থেকে অন্য মানুষটির মানবিক পরিচয়টি মুছে ফেলতে হয়। যাকে হত্যা করা হবে, তাকে তখন আর মানুষ’ মনে হয় না। সে হয়ে যায় ‘ওই লোক’, ‘ওই গ্রুপ’, ‘ওই পক্ষ’, ‘ওই শত্রু’। মানবিকতার মৃত্যু সেখানেই শুরু হয়। একটি শিশু তো খুনি হয়ে জন্মায় না, কোন শিশু জন্মের সময় হাতে চাপাতি নিয়ে আসে না। তার প্রথম অস্ত্র মায়ের হাত। তার প্রথম ভাষা ভালোবাসা। তার প্রথম নিরাপত্তা পরিবারের বুক। তাহলে সেই শিশুটি বড় হয়ে কীভাবে অস্ত্র হাতে নেয়? প্রশ্নটি শুধু পুলিশকে করা যাবে না, বরং প্রশ্নটি পরিবারকে করতে হবে। প্রশ্নটি বিদ্যালয়কে করতে হবে, প্রশ্নটি সমাজকে করতে হবে, প্রশ্নটি রাষ্ট্রকে করতে হবে, আর আমাদের নিজেদেরও করতে হবে। যখন একটি শিশু দেখে তার বড়রা রাগের সময় যুক্তি ব্যবহার করে না, আঘাত ব্যবহার করে তখন সে একটি শিক্ষা পায়। যখন সে দেখে ক্ষমতাবান ব্যক্তি নিয়মের ঊর্ধ্বে সে আরেকটি শিক্ষা পায়। যখন সে দেখে অপরাধ করেও কেউ সামাজিক মর্যাদা, অর্থ কিংবা রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে পারে সে আরও ভয়ংকর শিক্ষা পায়। আর যখন সে দেখে অস্ত্রধারী মানুষকে ভয় করা হয়, কিন্তু সৎ মানুষকে উপেক্ষা করা হয় তখন তার কাছে সমাজের নৈতিক মানচিত্রটিই বদলে যায়। আসলে গ্যাং সংস্কৃতি শুধু কিশোরদের সমস্যা নয়। বরং সাম্প্রতিক সময়ে ফরহাদ হত্যার প্রতিবেদনগুলোতে কিশোর গ্যাং, গোষ্ঠীগত বিরোধ, চাঁদাবাজি ও পূর্বশত্রুতার বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা পৃথকভাবে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন। (সূত্র: bdnews24.com) তবুও ঘটনাটি আমাদের একটি বড় সামাজিক সমস্যার দিকে তাকাতে বাধ্য করে। একজন তরুণ কেন একটি গোষ্ঠীর মধ্যে নিজের পরিচয় খুঁজে নেয়? কারণ অনেক সময় পরিবার তাকে নিরাপত্তা দিতে পারে না। বিদ্যালয় তাকে ধরে রাখতে পারে না। সমাজ তাকে মর্যাদার বিকল্প পথ দেখাতে পারে না। কর্মসংস্থান তাকে অপেক্ষা করায়। আর অপরাধীচক্র তাকে দেয় দ্রুত পরিচয় ‘আমরা আছি।’ সেখানেই শুরু হয় বিপদ। প্রথমে দল, তারপর আনুগত্য, তারপর আধিপত্য, তারপর অস্ত্র, তারপর প্রতিশোধ এবং পরিশেষে কবর। একজন তরুণের জীবনের এই পথটি যদি আমরা হত্যার পর দেখতে পাই, তাহলে অনেক দেরি হয়ে যায়। রাষ্ট্রের কাজ শুধু হত্যার পর হত্যাকারীকে খুঁজে বের করা নয়; হত্যাকারী তৈরি হওয়ার সামাজিক পথটিও বন্ধ করা। অস্ত্রের চেয়ে ভয়ংকর হলো দায়মুক্তির সংস্কৃতি। একটি সমাজে অস্ত্র থাকা বিপজ্জনক। কিন্তু তার চেয়েও বিপজ্জনক হলো অস্ত্র ব্যবহার করেও পার পাওয়া যায়, এমন ধারণা। যদি একজন অপরাধী মনে করে ‘আমাকে কেউ ধরতে পারবে না।’ তাহলে আইন তার কাছে কাগজ। যদি সে মনে করে ‘আমার পেছনে লোক আছে।’ তাহলে রাষ্ট্র তার কাছে দুর্বল। আর যদি সমাজ মনে করে ‘এগুলো তো প্রায়ই হয়।’ তাহলে অপরাধী বুঝে যায় মানুষের স্মৃতি খুব ছোট। সেদিন থেকেই সহিংসতা সমাজের স্বাভাবিক ভাষায় পরিণত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আয়নায় আমরা কী দেখছি?
ফেসবুকে হত্যার ভিডিও ছড়িয়ে পড়া আমাদের জন্য আরেকটি নৈতিক পরীক্ষা। আমরা কি ভিডিওটি শেয়ার করব? নাকি একজন মৃত মানুষের মর্যাদা রক্ষা করব? আমরা কি গুজব ছড়াব? নাকি তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করব? আমরা কি অপরাধীকে নিজেরাই বিচার করে ফেলব? নাকি আইনকে তার কাজ করতে দেব? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে নাগরিক দায়িত্ব শুধু প্রতিবাদ করা নয়; সত্য যাচাই করা, গুজব না ছড়ানো এবং নিহত মানুষের মর্যাদা রক্ষা করাও নাগরিক দায়িত্ব। কারণ একটি ভুল তথ্য কখনো কখনো দ্বিতীয়বার একটি পরিবারকে হত্যা করে সামাজিকভাবে। সুতরাং শুধু গ্রেপ্তার নয়, প্রতিরোধ চাই। প্রতিটি হত্যার পরে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেটিই শেষ কথা নয়। প্রশ্ন করতে হবে অস্ত্র কোথা থেকে এলো? অপরাধীচক্র কীভাবে সংগঠিত হলো? তাদের অর্থের উৎস কী? চাঁদাবাজির অভিযোগ থাকলে তার নেটওয়ার্ক কোথায়? পূর্বের মামলাগুলোর তদন্ত কোথায় দাঁড়িয়ে? সাক্ষীরা নিরাপদ কি না? তরুণদের অপরাধীচক্র থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা কোথায়? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরবর্তী হত্যাটি ঠেকাতে আজ কী করা হচ্ছে? কারণ মৃত মানুষকে ফিরিয়ে আনা যায় না। বিচার মৃত মানুষকে ফিরিয়ে আনতে পারে না। বিচার শুধু ভবিষ্যতের অপরাধকে প্রতিরোধ করার একটি সামাজিক অঙ্গীকার তৈরি করতে পারে। আমাদের সবচেয়ে বড় সংকট হয়তো মানুষের সংখ্যা নয়, মানবিকতার ঘাটতি।
একটি শহরে লাখ লাখ মানুষ বসবাস করতে পারে, বাড়ি উঁচু হতে পারে, রাস্তা প্রশস্ত হতে পারে, ইন্টারনেট দ্রুত হতে পারে, মোবাইলের ক্যামেরা উন্নত হতে পারে। কিন্তু যদি একজন মানুষ আরেকজন মানুষের সামনে নিরাপদ না থাকে, তাহলে সেই উন্নয়নের ভেতরে কোথাও একটি গভীর অন্ধকার রয়ে যায়। সভ্যতা শুধু প্রযুক্তির উন্নতি নয়। সভ্যতা হলো আমি শক্তিশালী হলেও দুর্বল মানুষটির জীবনকে সম্মান করব। আমি রাগ করলেও হত্যা করব না। আমি অপমানিত হলেও প্রতিশোধকে ন্যায় বলে গ্রহণ করব না। আমি বিরোধী হলেও তাকে মানুষ হিসেবে দেখব।
শেষ প্রশ্নটি আমাদের সবার কাছে। ফরহাদ হোসেনের মত হাজারো ফরহাদ হোসেনের হত্যার তদন্ত তার নিজস্ব সত্য প্রকাশ করবে? কারা জড়িত, কেন জড়িত, পূর্ববিরোধ কতটা ভূমিকা রেখেছে এসব প্রশ্নের উত্তর আইনগত তদন্তেই প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত। কিন্তু ফরহাদের মৃত্যু আমাদের সামনে যে প্রশ্নটি রেখে গেছে, তার তদন্ত কোন থানায় হবে না। তার তদন্ত হবে আমাদের বিবেকে। আমরা কি এমন একটি সমাজ চাই যেখানে সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে মা জানেন না সে নিরাপদে ফিরবে কি না? আমরা কি এমন একটি শহর চাই যেখানে একজন মানুষ সেলুনে ঢুকলেও তার জীবন নিরাপদ নয়? আমরা কি এমন একটি সমাজ চাই যেখানে একটি হত্যার ভিডিও কয়েক ঘণ্টা আলোচনার পর হারিয়ে যায় আর কিছুদিন পর আরেকটি রক্তাক্ত ভিডিও আমাদের নিউজফিডে এসে জায়গা নেয়? নাকি আমরা এমন সমাজ চাই যেখানে বিরোধের শেষ কথা অস্ত্র নয় আইন? যেখানে প্রতিশোধের শেষ শব্দ রক্ত নয় বিচার? যেখানে শক্তির পরিচয় কাউকে মেরে ফেলা নয় নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করা? আমরা মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব বলি। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্ব মুখের কথায় প্রমাণ হয় না। একজন মানুষ যখন আরেকজন মানুষের জীবন রক্ষা করার জন্য নিজের রাগকে থামাতে পারে, সেদিনই মানুষ তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে। ফরহাদের মৃত্যু যেন আরেকটি সংবাদ হয়ে হারিয়ে না যায়। তার মৃত্যু আমাদের মনে করিয়ে দিক, মানুষকে হত্যা করা যত সহজ হয়ে যায়, সমাজ তত বেশি অমানবিক হয়ে পড়ে। আর যেদিন একজন মানুষের জীবন রক্ষাকে আমরা একজন মানুষের মৃত্যুর চেয়ে বড় সংবাদ বানাতে পারব, সেদিন হয়তো আমরা আবার মানুষ হওয়ার পথে ফিরতে শুরু করব।
তথ্যসূত্রের ভিত্তি: বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ-পরিসংখ্যান এবং ১৫–১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত প্রথম আলো, বিডিনিউজ২৪, এনটিভি ও জাগো নিউজের প্রতিবেদনের আলোকে।