রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে সক্রিয় মনির হোসেন, দোয়া ও সমর্থন কামনা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেল সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক, ব্যাহত যোগাযোগ। ভোর মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের কাজী নজরুল ইসলাম গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড লাভ অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, আতঙ্কে ডিএনসি পরিবার সনদ বিহীন পশু পল্লি চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় গরু মৃত্যুর অভিযোগ,দীর্ঘ ৮ মাসেও ভুক্তভোগী কোনো সুরাহা পাইনি, পুনরায় ইউএনও’র কাছে বিচার চেয়ে আবেদন বিএম কলেজে উত্তরণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের নবীন বরণ ও সাংগঠনিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদকবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত: চারজনের কারাদণ্ড রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর লুটপাট ও জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাপাঁনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত মাওলানা কুতুব উদ্দিন। রিয়াদে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ইংরেজি শাখার ২০২৬ইং ব‍্যাচ এর সমাবর্তন অনুষ্ঠান।

অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, আতঙ্কে ডিএনসি পরিবার

প্রতিবেদকের নাম / ২৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলামের বিরুদ্ধে বদলি, লাইসেন্স ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘিরে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বদলির আদেশ ওয়েবসাইটে প্রকাশ না হওয়ার সুযোগ নিয়ে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন পরিদর্শকের কাছ থেকে বদলির কথা বলে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, মাস শেষে বিভিন্ন মাদক স্পট থেকে টাকা সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য পরিদর্শকদের চাপ প্রয়োগ এবং টাকা সংগ্রহে ব্যর্থ হলে বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলামের কার্যালয়কে ঘিরে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে বাড়তি অর্থের দাবি করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন লাইসেন্সি অভিযোগ করেন, বিভাগীয় কার্যালয়ে কোনো ফাইলের কাজ করতে গেলে প্রথমে উপপরিচালক শামসুল আলমের মাধ্যমে পরিদর্শন বাবদ ৫ হাজার টাকা এবং ফাইলপ্রতি ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়ার পরও অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলামের পক্ষ থেকে আলাদা অর্থ দাবি করা হয়।

তাদের ভাষ্য, এ বিষয়ে একজন লাইসেন্সি প্রতিবাদ করে বলেন, “আগে তো এভাবে টাকা দিতে হতো না, একটু কম রাখেন স্যার।” অভিযোগ অনুযায়ী, এ কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে শওকত ইসলাম ওই লাইসেন্সির ফাইল ছুড়ে ফেলেন।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, শওকত ইসলামের পরিবারের সদস্যরা অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করেন এবং সেখানে তার স্ত্রীর নামে একটি বাড়ি রয়েছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচাতেও তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, শওকত ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি মামলা চলমান রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলামের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর