বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

ঝিনাইগাতীতে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত!

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ৪৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

ঝিনাইগাতীতে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত!

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ডেফলাই এলাকা থেকে একটি বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর (Slow Loris) উদ্ধার করে নিরাপদ বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে একদল স্বেচ্ছাসেবী ও বনবিভাগের সমন্বয়ে প্রাণীটিকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন আপন শিক্ষা পরিবারের রমজান, স্থানীয় সেচ্ছাসেবী সজিব, ‘হাতির খবর ও সচেতনতা’ গ্রুপের রহমত আলী, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম মধুটিলার মো. আরফান আলী, মো. রাজ্জাক, রাব্বি এবং রাঙটিয়া রেঞ্জের গজনী বিটের জিয়াউর রহমান প্রমূখ।

 

এ বিষয়ে বনবিভাগের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক জহির আকনের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে জানান উদ্ধারকর্মীগণ। সংশ্লিষ্টরা জানান, সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ায় একটি বিলুপ্তপ্রায় লজ্জাবতী বানর নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

স্থানীয়রা প্রথমে প্রাণীটিকে ভুলবশত ভালুক, পান্ডা কিংবা বাঘের ছানা মনে করে আক্রমণের চেষ্টা করে। পরে সচেতনতা প্রচারণার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, লজ্জাবতী বানর সাধারণত গাছের আঠা ও রস খেয়ে বেঁচে থাকে এবং মাঝে মাঝে পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশের উপকার করে। এটি মানুষের বা ফসলের জন্য ক্ষতিকর নয়।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের প্রাণী দেখলে না মেরে দ্রুত বনবিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর