বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

ভাষা শহীদদের রক্তঋণে ঋণী জাতি: ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল এন্ড কলেজে ফুলে ফুলে শ্রদ্ধাঞ্জলি

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ১০১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ জালাল উদ্দিন।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘অমর একুশে’ পালিত হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) শ্রীমঙ্গলের ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে নির্মিত শহীদ মিনারে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে একুশের প্রথম প্রহরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ খালি পায়ে শহীদ মিনারে সমবেত হন। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে হাতে ফুল নিয়ে একে একে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপস্থিতরা। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আবেগঘন ও শোকাবহ পরিবেশ।

পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ঝলক কান্তি চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় চেতনার ভিত্তি। মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় যে আত্মত্যাগ হয়েছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। নতুন প্রজন্মকে সেই ইতিহাস জানতে হবে এবং ভাষার শুদ্ধ চর্চায় অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে।”

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর গুলি চালানো হলে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। তাঁদের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

অনুষ্ঠানের শেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বীর ভাষা শহীদদের প্রতি জানানো হয়—“অফুরন্ত শ্রদ্ধা ও লাল সালাম।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর