বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে ভারতের কয়লার গুহায় মাটি চাপায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু। বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা ফিজিওথেরাপি পেশার স্বীকৃতি ও রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন বাস্তবায়নের দাবি ঝিনাইগাতীতে বাফার গোডাউন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক রাউজানে বেপরোয়া চাঁদের গাড়ির এক্সিডেন্ট থেকে অল্পের জন্যে বেঁচে গেল মাদ্রাসা শিক্ষক র‌্যাব-৭ অধিনায়কের সঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ সিংড়ায় ছাত্রদল নেতা কাজলের সঙ্গে একাধিক নারীর ছবি ভাইরাল, ‘এআইয়ের কারসাজি’ দাবি কাজলের বাকৃবির নবনিযুক্ত উপাচার্যকে বাংলাদেশ ফিসারিজ এক্সিকিউটিভ অ্যাসোসিয়েশন ও কৃষিবিদ আনোয়ার পারভেজের শুভেচ্ছা বিএনপি নেতা রহমতুল্লাহ অসুস্থ, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা সুনামগঞ্জে ব্যাটারী চালিত অটো রিকশায় নতুন নম্বর প্লেট প্রদানের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন মালিক শ্রমিক সমবায় পরিষদ মেধাবী শিক্ষার্থী রিমু আক্তারকে সম্মাননা স্মারক ও বই উপহার দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার

ভাষা শহীদদের রক্তঋণে ঋণী জাতি: ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল এন্ড কলেজে ফুলে ফুলে শ্রদ্ধাঞ্জলি

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ১৩৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ জালাল উদ্দিন।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘অমর একুশে’ পালিত হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) শ্রীমঙ্গলের ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে নির্মিত শহীদ মিনারে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে একুশের প্রথম প্রহরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ খালি পায়ে শহীদ মিনারে সমবেত হন। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে হাতে ফুল নিয়ে একে একে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপস্থিতরা। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আবেগঘন ও শোকাবহ পরিবেশ।

পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ঝলক কান্তি চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় চেতনার ভিত্তি। মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় যে আত্মত্যাগ হয়েছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। নতুন প্রজন্মকে সেই ইতিহাস জানতে হবে এবং ভাষার শুদ্ধ চর্চায় অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে।”

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর গুলি চালানো হলে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। তাঁদের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

অনুষ্ঠানের শেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বীর ভাষা শহীদদের প্রতি জানানো হয়—“অফুরন্ত শ্রদ্ধা ও লাল সালাম।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর