রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বিরকে নিয়ে মানহানিকার বক্তব্যের প্রতিবাদ উপজেলা প্রেসক্লাব ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার আহ্বান: পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে ঝিনাইগাতী প্রশাসনের উদ্যোগ রাজশাহী মহানগরীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবা, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডলসহ ৯ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ সাংবাদিক আমানুল্লাহ আসিফ,সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধ নিহত, একদিন পর মরদেহ উদ্ধার দাড়িয়ারপাড় নয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন, সভাপতি শশাংক শেখর রায় দাড়িয়ার পার নয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন, সভাপতি শশাংক শেখর রায় ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। শেরপুরের মেধাবী তরুন সাব্বির আহমেদ নিউইয়র্ক পুলিশ অফিসার হিসেবে যোগ দিলেন ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়নের দাবি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কোরবানির ঈদে ১২ হাজার ১৮২ টি গরু প্রস্তুত!  

জিয়াউল ইসলাম জিয়া / ১১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি 

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার ঝিনাইগাতীতে হৃষ্টপুষ্টকরনকৃত গবাদি পশুর সংখ্যা ১২ হাজার ১৮২ ও কোরবানির পশুর চাহিদা  ১১ হাজার ৮৩৩ উদ্বৃত-৩৪৯টি।   এছাড়াও চাহিদার সঙ্গে খামারে কমেছে কোরবানির পশুর যোগানও।এক মাসের কম সময় বাকি পবিত্র ঈদুল আজহার।  এ উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে পশু কেনা-বেচা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ঝিনাইগাতীর ক্রেতা ও ব্যাপারীরা।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শেষ সময়ে পশু পরিচর্যা ও বাজার ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন খামারিরা। তবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দাবি, পশু খাদ্যের দামের প্রভাব পড়বে কোরবানির বাজারে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছরের মতো এবারও স্থানীয় চাহিদার তুলনায় পশু বেশি রয়েছে। এবার উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১১ হাজার ৮৩৩ টি।

ঝিনাইগাতীর উপজেলার সন্ধাকুড়া গ্রামের খামারি মাইনুল হাসান মনির  বলেন, কোরবানির শেষ সময়ে বাহির থেকে গরু আসার কারণে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। এবার কোরবানির বাজারের জন্য ০৫ টি গরু প্রস্তুতি করেছি। বাজারদর অনুকূলে থাকলে আশা করি হাটে ভালো দাম পাবো। অন্যদিকে কোরবানির পশু বিক্রিতে খামারি নিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন কৌশল। ইতোমধ্যে খামারে এসে ক্রেতারা গরু কেনা শুরু করেছে। অনেকে আগে এসেই পশু কিনে রাখছে। যা কোরবানির আগেরদিন পর্যন্ত খামারে রাখতে পারবেন।  এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফয়জুর রাজ্জাক আকন্দ প্রতিনিধিকে  বলেন, ঝিনাইগাতীতে এবার কোরবানির পশু সংকটের শঙ্কা নেই। উপজেলায় অন্তত ৫ হাজার তালিকাভুক্ত খামারির বাইরেও ব্যক্তিগতভাবে অনেকে এক বা একাধিক কোরবানির পশু লালন-পালন করছেন। 

আসন্ন কোরবানি উপলক্ষ্যে পেশাদার ও মৌসুমি কসাইদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি চামড়া সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে অবহিতকরণ কার্যক্রম করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। পশুর যোগান বেশি থাকায় ঈদ বাজার খামারি ও ক্রেতা উভয়ের অনুকূলে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর