বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

সুনামগঞ্জে হোটেল ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবি: তদন্তে পিবিআইকে আদালতের নির্দেশ

সহকারী বার্তা সম্পাদক শেখ মাহফুজুল হক সানি / ৮৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক হোটেল ব্যবসায়ীর কাছে সাংবাদিক পরিচয়ে ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জগন্নাথপুর আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন—আব্দুল ওয়াহিদ ওরফে ব্যাটারী মোল্লা (৫০), হিবজুর রহমান তালুকদার জিয়া (৪০) এবং রিয়াজ রহমান (৪০)। তারা জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন।

মামলার বাদী ‘সানলাইট আবাসিক হোটেল’-এর মালিক মো. মনির মিয়া অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি সকালে আসামিরা তার হোটেলে প্রবেশ করে দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি সরকারি খাস জায়গায় নির্মিত হয়েছে। তারা আরও বলেন, তাদের টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদ প্রচার করা হলে প্রশাসন হোটেলটি উচ্ছেদ করবে। এ ভয় দেখিয়ে তারা ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ফেসবুকে হোটেলটি নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর লেখালেখি শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামিরা পুনরায় হোটেলে গিয়ে একই দাবিতে চাপ সৃষ্টি করেন এবং গালিগালাজসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ক্ষতির হুমকি দেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ করলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

বাদী আরও জানান, এর আগেও এক আসামির বিরুদ্ধে একই ধরনের চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছিল, যা তদন্তে প্রমাণিত হয়। থানায় প্রতিকার না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর