শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১৪ বছরের শিশুকে ১৮ বছর দেখিয়ে মামলায় জড়ানোর অভিযোগ, তাড়াশে চাঞ্চল্য যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাদক সম্রাট চিট রাসেল এখনো অধরা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরও পলাতক, মানিলন্ডারিং তদন্তের দাবি জোরালো তাহিরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে কলাগাঁও বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন। লন্ড‌নে সিলেট শাহজালাল হাউজিং এস্টেটস প্রবাসী অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যো‌গে সভা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে ডেভিলের হামলায় জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আহত। জুলাই গণঅভ্যুঙ্খান দিবস ২০২৬ পালন উপলক্ষে সুনামগঞ্জে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। যুগ যুগ ধরে কাঁচা রাস্তা, হাঁটু পানিতে বন্দি ঘাগড়া পুটল পাড়া:হাজারো মানুষের দুর্ভোগ সুনামগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি ও দুটি নৌকা জব্দ। ইতালি পাঠানোর নামে লিবিয়ায় পাচার ও নির্যাতনের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের, আসামে গ্রেপ্তার হওয়ায় তদন্তভার ডিবিতে হস্তান্তরের দাবী। মহারশি নদীতে ডুবে প্রাণ হারানো ইদ্রিস আলীর পরিবারে (ইউএনও)আল-আমীনের মানবিক সহায়তা: ২৫ হাজার টাকার চেক ও শুকনা খাবার প্রদান

সুনামগঞ্জে হোটেল ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবি: তদন্তে পিবিআইকে আদালতের নির্দেশ

সহকারী বার্তা সম্পাদক শেখ মাহফুজুল হক সানি / ১০২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক হোটেল ব্যবসায়ীর কাছে সাংবাদিক পরিচয়ে ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জগন্নাথপুর আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন—আব্দুল ওয়াহিদ ওরফে ব্যাটারী মোল্লা (৫০), হিবজুর রহমান তালুকদার জিয়া (৪০) এবং রিয়াজ রহমান (৪০)। তারা জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন।

মামলার বাদী ‘সানলাইট আবাসিক হোটেল’-এর মালিক মো. মনির মিয়া অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি সকালে আসামিরা তার হোটেলে প্রবেশ করে দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি সরকারি খাস জায়গায় নির্মিত হয়েছে। তারা আরও বলেন, তাদের টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদ প্রচার করা হলে প্রশাসন হোটেলটি উচ্ছেদ করবে। এ ভয় দেখিয়ে তারা ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ফেসবুকে হোটেলটি নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর লেখালেখি শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামিরা পুনরায় হোটেলে গিয়ে একই দাবিতে চাপ সৃষ্টি করেন এবং গালিগালাজসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ক্ষতির হুমকি দেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ করলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

বাদী আরও জানান, এর আগেও এক আসামির বিরুদ্ধে একই ধরনের চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছিল, যা তদন্তে প্রমাণিত হয়। থানায় প্রতিকার না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর