রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
লাইলাতুল মেহরাজ এর মাধ্যমে মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামিন মুসলমানদের জন্য নামাজ ফরজ করে দেন গাজীপুরস্থ শ্রীবরদী -ঝিনাইগাতী ব্যাবসায়ীদের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত! গণভোটে সরকারের ভূমিকা “লন্ডনে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও কবি শতবর্ষী দবিরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের শোক প্রকাশ কাগতিয়া দরবার শরীফে পবিত্র মি’রাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরছে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিলে লাখো মুসল্লির ঢল বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ জামে মসজিদ পুনর্নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন একদিকে গণতান্ত্রিক ভোট, অন্যদিকে অস্থিরতা—সহিংসতার ছায়ায় নির্বাচন গাউসিয়া তৈয়্যবিয়া জালালিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সালানা জলসা ও হযরত জালাল শাহ্ (রহ.)’র ওরস শরীফ উপলক্ষে ঈদে মিলাদুন্নবী মাহফিল অনুষ্ঠিত বেকার ছেলে রুম্মান এর ফ্রিল্যান্সিং হয়া এক আশ্চর্য ঘটনার গল্প জামালপুর- ৪ আসনে সিপিবি প্রার্থীতা ফিরে পেলেন মাহবুব জামান জুয়েল

বেকার ছেলে রুম্মান এর ফ্রিল্যান্সিং হয়া এক আশ্চর্য ঘটনার গল্প

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ১৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

রিপোর্টার : সম্পাদক

করি না করেও যে স্বাধীনভাবে কিছুকরা যায়, তার আধুনিক পরিচিতি ফ্রিল্যান্সিং। একটুদরদ র্শিতা, পরিশ্রম ও ধৈর্য বদলে দিতে পারে অনলাইন এবং অফলাইন জীবন। যে কেউ সময়ের সঙ্গে লক্ষ্য ঠিক রেখে চেষ্টা করলে হতে পারবে সেরা ফ্রিল্যান্সার। হাজারো তরুণের চোখে হয়ে উঠবে আইডল। লক্ষ্য অটুট থাকলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও মিলবে সফল ফ্রিল্যান্সারের মর্যাদা। এমনই একজন তরুণ রুম্মান ইসলাম। বয়স যখন ১৮/১৯ পার হয়নি, তখনই তার স্বপ্ন বুনেন।

এ বয়সেই নিজে কিছু করার ইচ্ছা থেকে ফ্রিল্যান্সিং জগতে ঢুকতে মন চাইলেও হাতে টাকা বা কম্পিউটার না থাকার কারনে করতে পারেনি। তারপর পড়াশোনার পাশাপাশি এলাকার একটা ছোট্ট কুম্পানিতে কাজ করতেন পাসা পাসি আল্লাহর র্দগা বাজারে এম,সরনিতে বেসিক কম্পিউটার শিখে ও সেই ট্রেইনিং সেন্টারে বেসিক মাইক্রোসফট এর উপর কাজ করতে থাকে প্রায় ৭/৮মাস।

তারপর আম্মুর কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে কম্পিউটার কিনে তারপর পড়াশোনা ও চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় ফ্রিলান্সিং শিখতে শুরু করে। যদিও শুরুর অভিজ্ঞতাটা একটু ভিন্ন। মুখোমখিু হতে হয় নানা ধরনের বাধা-বিপত্তির। তবওু হাল ছাড়েননি রুমন।

তারপর ২০২৪ এর শেষ দিকে নিজে ঢাকা মোহাম্মদপুর এক্সপার্ট আইটি পার্কের সন্ধান পায় ফেসবকেু। সেখান থেকে পুরো ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর ফ্রিলান্সিং কোর্স কম্প্লিট করে। দীর্ঘ ৩ বছরের কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য। সঙ্গে একটু একটু এগিয়ে যাবার অনপ্রেরণা তাকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

বর্তমানে তিনি কাজ করছেন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস ফাইবার ও বিশেষ করে আউট অফ মার্কেট প্লেসে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ফ্রিল্যান্সার রুম্মান ইসলাম অনলাইন আউট অফ মার্কেট প্লেসে ও গুগল এডস এর ওপর কাজ করছেন। পরিশ্রম আর ধৈর্যের সফলতায় বদলে যাচ্ছে রুম্মান। এখন তার প্রতি মাসে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মতো আয় হচ্ছে।

রুম্মান স্বপ্ন কর্মহীন বেকার যুবকদের জন্য কিছু করা। গ্রামের স্বল্প আয়ের পরিবারে বেড়ে ওঠা তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং পেশায় দক্ষ করে তুলে বেকার সমস্যা ঘোঁচানোর পথ দেখাতে তার আগ্রহের কমতি নেই।

এছাড়াও অনলাইনে ‘ Md Rumman ali’ নামে ফেসবকু পেজ রয়েছে । বাংলাদেশেরঅ র্থনৈতিক প্রবদ্ধিৃতে তার এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ খুব শিগগিরই একটি বৃহৎ কর্মকান্ডে রূপ নেবেবলে আশাবাদী রুম্মান।

কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলার কাজিহাট গ্রামের এক গরিব পরিবারে জন্ম রুম্মান এর। তিনি এখনোএ কজন ছাত্র তিনি ২০২৪ সালে কুচিয়ামোড়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা থেকে হাফেজ পাশ করে ২০২৪ এর মাঝে একটা মাদ্রাসাই ভর্তি হয় কিন্তু অডার এর জন্য পরাশুনা করে না ।

রুম্মান বলেন, শুরুতে কোনো কিছু বঝতাম না। ইন্টারনেটে গুগল, ইউটিউব ঘেটেঁ ঘেটেঁ শিখতে লাগলাম। কিন্তু সফলতার থেকে ব্যর্থতার ঝুলিটাই বড় হতে লাগলো। একটু হতাশ হয়ে গেলাম। তবে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসিনি। অনেক ইচ্ছে ছিল ওয়েভ-ডেভেলোপমেন্ট-এর ওপর কাজ করব। কিন্তু সেটাতে খুব বেশি সফলতা না আসায় ডিজিটাল মার্কেটিং-এর ওপর কাজ করতে থাকি। এরপর পর্যায়ক্রমে এসইও-এর ওপর কাজ শিখে সেটির ওপর কাজ চালিয়ে যাই।

এখন তো পুরো দমে কাজ করে যাচ্ছেন রুম্মান। নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারায় সফলতাই তার সবচেয়ে প্রাপ্তি। বর্তমানে প্রতিমাসে তিনি অর্ধ লক্ষ টাকা আয় করলেও, কিছুদিনের মধ্যে তা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী। কারণ আগামী দিনে ফ্রিল্যান্সিং বর্তমান সময়ের চেয়ে কয়েকগুন বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে ইচ্ছে আছে একটা স্টার্টআপ উদ্যোগ চালুকরা।

তরুণ এ ফ্রিল্যান্সার জানান, আগামীর বাংলাদেশ হবে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর। এজন্য সামনের দিনগুলোতে ডিজিটাল মার্কেটিং-এর গুরুত্ব অনেক বেশি।
মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করা সম্ভব নয়। এতে হতাশ হতে হবে। এজন্য দক্ষতা অর্জন এবং ধৈর্য ধারণের বিকল্প নেই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর