ডোমার উপজেলার এলএসডি (লোকাল সাপ্লাই ডিপো) কার্যক্রমে নতুন গতি ও স্বচ্ছতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ওসি এলএসডি মোছাঃ কাজল রেখা। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, বিতরণ ও তদারকিতে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন, যা স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
তিনি নিয়মিত গুদাম পরিদর্শন, মজুত তালিকা হালনাগাদ ও সঠিক ওজন নিশ্চিত করার মাধ্যমে খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এনেছেন। এতে করে সরকারি চাল ও খাদ্যশস্য বিতরণে অনিয়ম কমেছে এবং উপকারভোগীরা সময়মতো সেবা পাচ্ছেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনিয়ম ও কালোবাজারি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। সংশ্লিষ্ট ডিলার ও কর্মচারীদের নিয়মিত দিকনির্দেশনা ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
শুধু প্রশাসনিক দায়িত্বেই নয়, মানবিক দিক থেকেও তিনি অগ্রগণ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে তার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও তৎপরতা স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, তার সততা, কর্মনিষ্ঠা ও আন্তরিকতার কারণে ডোমার উপজেলার এলএসডি কার্যক্রম এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ও জনবান্ধব।
ডোমার উপজেলার এলএসডি কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ওসি মোছাঃ কাজল রেখার ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। তার মতো দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও কার্যকর ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।