বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টি.আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে বদলে গেছে ডোমার উপজেলার চিত্র ডোমার পৌরসভা-এর স্বচ্ছতা ও সুশাসনের রূপকার হিসাবরক্ষক ইবনে করিম মোঃ হুসাইনুজ্জামান (সিফাত) ডোমার উপজেলা–এর ওসি এলএসডি মোছাঃ কাজল রেখার ইতিবাচক উদ্যোগে প্রশংসার জোয়ার হাটহাজারী অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও কুরআন শরীফ বিতরণ; ঝিনাইগাতীতে অদম্য নারী পুরস্কার কার্যক্রমের আওতায় বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নাসরিন বেগম! বিশ্বম্ভরপুরে বাঁধ পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেরপুরে ১৮ মাস যাবত রাস্তার কাজ বন্ধ: ঠিকাদার লাপাত্তা, জনভোগান্তি চরমে!  ডায়মন্ড বেকারী: উত্তরবঙ্গের গর্বের নাম ৩১ দফা বাস্তবায়নে উন্নয়ন কর্মসূচি আরও জোরদার হবে: অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল, সততা ও স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত: সৈয়দপুর পৌরসভার হিসাব রক্ষক মোঃ আবু তাহের

ডোমার উপজেলা–এর ওসি এলএসডি মোছাঃ কাজল রেখার ইতিবাচক উদ্যোগে প্রশংসার জোয়ার

প্রতিবেদকের নাম / ১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

ডোমার উপজেলার এলএসডি (লোকাল সাপ্লাই ডিপো) কার্যক্রমে নতুন গতি ও স্বচ্ছতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ওসি এলএসডি মোছাঃ কাজল রেখা। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, বিতরণ ও তদারকিতে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন, যা স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

তিনি নিয়মিত গুদাম পরিদর্শন, মজুত তালিকা হালনাগাদ ও সঠিক ওজন নিশ্চিত করার মাধ্যমে খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এনেছেন। এতে করে সরকারি চাল ও খাদ্যশস্য বিতরণে অনিয়ম কমেছে এবং উপকারভোগীরা সময়মতো সেবা পাচ্ছেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনিয়ম ও কালোবাজারি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। সংশ্লিষ্ট ডিলার ও কর্মচারীদের নিয়মিত দিকনির্দেশনা ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
শুধু প্রশাসনিক দায়িত্বেই নয়, মানবিক দিক থেকেও তিনি অগ্রগণ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে তার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও তৎপরতা স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, তার সততা, কর্মনিষ্ঠা ও আন্তরিকতার কারণে ডোমার উপজেলার এলএসডি কার্যক্রম এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ও জনবান্ধব।

ডোমার উপজেলার এলএসডি কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ওসি মোছাঃ কাজল রেখার ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। তার মতো দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও কার্যকর ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর