বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বোরহানউদ্দিনে ৭ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ উদ্বোধন  অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত রাজশাহী বাঘা প্রাণবন্ত আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন ও শোভাযাত্রা কারমাইকেল কলেজে রম্য বিতর্ক: পহেলা বৈশাখের রঙে মাতল তারুণ্য শেরপুরে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অধ্যাপক মাহবুব-উল -আলম! লন্ডন থেকে বাংলা নিউজ মিডিয়ার প্রকাশক সোহেল সরকারের নববর্ষের শুভেচ্ছা নিহত আরমানের পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে সরজমিনে এমপি কামরুল। বদলগাছীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা -সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ! ঝিনাইগাতীতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত ! যাদুকাটায় পাড় ধসে মৃত্যু: অবৈধ বালু উত্তোলনে বাড়ছে ঝুঁকি।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কৃষকের ছেলে হলেন ৪৬তম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত।

সহকারী বার্তা সম্পাদক মোঃ মনোয়ার হোসেন সেলিম / ৮০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর গান্ধীগাও গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন মনোয়ার হোসেন ।

মনোয়ার হোসেনের পিতা মোঃ খোরশেদ আলম পেশায় একজন কৃষক। মাতা কুলছুম বেগমের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি পঞ্চম সন্তান।

মনোয়ার হোসেন এর আরও দুই ভাই দুই বোন রয়েছেন।
ছোট থেকেই মো:মানোয়ার হোসেন মেধাবী ছাত্র ছিলেন।
তিনি রাংটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ২০১৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

এরপর স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

তিনি দিন রাত পরিশ্রম করে পড়াশোনা করেন, মনোয়ার হোসেন হাল ছাড়েন নাই অবশেষে তিনি ৪৬ তম বিসিএস পরীক্ষায় (শিক্ষা ) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

মনোয়ার হোসেন এর স্বপ্ন ছিল বিসিএস ক্যাডার হওয়ার। তার স্বপ্ন পুরণে নিরলসভাবে পড়াশোনা করেছেন।  মনোয়ার হোসেনের বাবা খোরশেদ আলম প্রতিনিধিকে জানান, সন্তানকে উচ্চ শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে আমি ও আমার স্ত্রী কুলছুম বেগম অত্যন্ত পরিশ্রম করেছি। ছেলে পরিবার, গ্রামবাসী ও এলাকার মানুষের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমি ছেলের জন্য দোয়া চাই।

মনোয়ার হোসেন প্রতিনিধি কে জানান, আদর্শবান ও সৎ মানুষ হওয়াই আমার জীবনের মুল লক্ষ্য। শিক্ষা জীবনের শুরুতেই স্বপ্ন বুনেছিলাম পড়াশোনা করে ভালো সরকারি প্রতিষ্ঠানে সম্মানের সাথে চাকরি করবো। আলহামদুলিল্লাহ! আশা পূর্ণ হয়েছে। মনোয়ার হোসেন জানান, এই কৃতিত্বের সাথে সফলতায় যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি তারা হলেন- আমার বাবা-মা। শিক্ষা জীবনে নিজের সর্বোচ্চ পরিশ্রম, চেষ্টা, পড়ালেখা করা, মানুষের দোয়া, আল্লাহর রহমত, ভাগ্য, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা ও সবকিছুর সমন্বয়েই ভালো কিছু করা সম্ভব। সর্বোপরি সকলের কাছে আমি দোয়াপ্রার্থী সামনের দিনে দায়িত্বগুলো যেন নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর