মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লন্ডন থেকে বাংলা নিউজ মিডিয়ার প্রকাশক সোহেল সরকারের নববর্ষের শুভেচ্ছা নিহত আরমানের পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে সরজমিনে এমপি কামরুল। বদলগাছীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা -সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ! ঝিনাইগাতীতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত ! যাদুকাটায় পাড় ধসে মৃত্যু: অবৈধ বালু উত্তোলনে বাড়ছে ঝুঁকি। শেরপুরে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মেজর মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান! মাদক ব্যবসায়ীর নির্দেশে হামলা: পঙ্গু ব্যবসায়ী, প্রভাবের অভিযোগ। মুন্সীবাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক সৈয়দ এনামুল হক। শেরপুরে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত! রংপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার।

একুশের প্রথম প্রহরে খানসামায় ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া

সহকারী বার্তা সম্পাদক শেখ মাহফুজুল হক সানি / ৫০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে দিনাজপুরের খানসামায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

রাত গভীর হলেও শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছিল শোকাভিভূত, নীরব ও গম্ভীর পরিবেশ।
সবার আগে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দিনাজপুর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া। তিনি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে।
এরপর পর্যায়ক্রমে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা পুলিশ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, টিটিসি, আনসার ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল গভীর আবেগ, শোক ও শ্রদ্ধার আবহ।
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল প্রমাণ করে, ভাষা আন্দোলনের চেতনা এখনও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও প্রেরণাদায়ক। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে খানসামাবাসীর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নতুন প্রজন্মের মাঝেও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে পুরো উপজেলাজুড়ে ছিল আবেগঘন পরিবেশ। রাত পেরিয়ে নতুন দিনের সূচনায় আবারও উচ্চারিত হয় সেই চিরন্তন অঙ্গীকার—বাংলা ভাষার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সবাই থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর