রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
“ভাবনায় বিষাদ সিন্ধু তুমি”-মোঃ সেলিম উদ্দিন রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন: শাহাদত চেয়ারম্যান ও মোজাম্মেল সাধারণ সম্পাদক বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম করে রূপগঞ্জের তারাবো পৌর বিএনপি বাংলাদেশ সিএইচসিপি এসোসিয়েশন এর আহবায়ক কমিটি গঠন। সুনামগঞ্জ পৌর শহরে গৃহ-বধূ সুমি দাশ চৌধুরীর আত্ম-হত্যা এখন হত্যা মামলায় পরিণত ফেঁসে গেলেন শশুর শাশুরী ও বটিয়াঘাটায় শতাধিক নেতা কর্মী আওয়ামীলীগ থেকে পদত্যাগ ১৫ পদের বিপরীতে ৩১ নমিনেশন দাখিল লণ্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নির্বাচন ২৫ জানুয়ারী ২০২৬,রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জাফর ইকবালের হাসি, গান, অভিনয় সব কিছুই আমাদের সঙ্গে বেঁচে আছে: ববিতা আগে গুলি করবো, পরে প্রশ্ন’, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ডেনমার্কের

আগে গুলি করবো, পরে প্রশ্ন’, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ডেনমার্কের

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ২৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

“আগে গুলি করবো, পরে প্রশ্ন’, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ডেনমার্কের

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ও সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতকে কেন্দ্র করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ডেনমার্ক। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডে যদি কোনো বিদেশি বাহিনী অনুপ্রবেশ করে, তবে ডেনিশ সেনারা ‘আগে গুলি চালাবে, পরে প্রশ্ন করবে’। এই নীতির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রও ব্যতিক্রম নয়।খবর আইবিএননিউজ ।

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ১৯৫২ সাল থেকে কার্যকর সেনাবাহিনীর ‘রুল অব এনগেজমেন্ট’ অনুযায়ী, আক্রমণের ক্ষেত্রে সেনাদের ওপর থেকে উচ্চপর্যায়ের অনুমতির অপেক্ষা না করে সরাসরি হামলা চালানোর নির্দেশনা রয়েছে। ডেনিশ দৈনিক বার্লিংস্কে এই নির্দেশনার বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করে যে, নিয়মটি এখনো বহাল আছে।

এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ন্যাটোভুক্ত এই ভূখণ্ডটি দখলে নিতে প্রয়োজনে ‘সামরিক শক্তি ব্যবহারের’ কথাও বিবেচনায় রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বহুবার স্পষ্ট করেছেন যে, গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার একটি অগ্রাধিকার। আর্কটিক অঞ্চলে আমাদের প্রতিপক্ষদের প্রতিরোধ করাই এর মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করাও কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের এখতিয়ারভুক্ত একটি বিকল্প।’

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে তিনি ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-কে তিনি বলেন, ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান, সামরিক শক্তি প্রয়োগের পথে যেতে চান না। এ বিষয়ে ডেনমার্কও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এটিকে ‘প্রয়োজনীয় সংলাপ’ বলে উল্লেখ করেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং আর্কটিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় ট্রাম্প ‘যতদূর প্রয়োজন, ততদূর যেতে প্রস্তুত’।

ডেনমার্ক অবশ্য বারবার বলে আসছে, গ্রিনল্যান্ড ‘বিক্রির জন্য নয়’। ইউরোপীয় নেতারাও সম্প্রতি এক যৌথ বিবৃতিতে ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের ভৌগোলিক অখণ্ডতা অবশ্যই সম্মান করতে হবে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন আরও এক ধাপ এগিয়ে সতর্ক করে বলেন, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক হামলা হলে তা ন্যাটো জোটের অবসান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামোর ভাঙনের শামিল হবে।

অন্যদিকে ট্রাম্পের যুক্তি হলো, আর্কটিক অঞ্চলে চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর